বিশ্বনাথে ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি : বিদ্যুতের ভেলকিবাজি
প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ মে ২০১৫ ইং, ৮:১৭ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৬১৩ বার পঠিত
তজম্মুল আলী রাজু : টানা তিনদিনের ঝড়-বৃষ্ঠিতে বিশ্বনাথের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। প্রবল বেগে ঝড় হওয়ায় বিশেষ করে গাছ-পালা, টিনসেডের ঘর, বিদ্যূতের খুঁটি উপড়ে গেছে বিভিন্ন স্থানে। উপজেলার অনেক জায়গায় বিদ্যুত টিক মত না পাওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিদ্যুত গ্রাহকদের। বিশেষ করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়ালেখা করতে পারছেন না।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ঝড়ে অনেক স্থানে বিদ্যুতের লাইনে গাছ, বাঁশ পড়ে লাইন ছিড়ে গেছে। এগুলো মেরামত করতে হিমশিম খাচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লাইনম্যানরা। আবার অনেক স্থানে বিদ্যুত থাকলেও লোডশেডিং হচ্ছে।
এদিকে বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের সরুয়ালা, ভোগশাইল, আতাপুর, ধীতপুর, রহিমপুর, ভাটশালা, পশ্চিম শ্বাসরাম, পূর্ব শ্বাসরাম, মোহাম্মদপুর, ধর্মদা তাতিকোনাসহ অনেক গ্রামে তিনদিনের ঝরে সুপারী, রেন্টি, কলাগাছসহ বিভিন্ন জাতের গাছপালা উপড়ে পড়েছে। অনেকের বসত ঘরের টিন নিয়ে গেছে। অন্যদিকে বিভিন্ন রাস্তায় লাগানো অনেক গাছ উপড়ে পড়েছে এবং ভেঙ্গে গেছে বলে জানাগেছে।
এ ব্যাপারে এইচএসসি পরীক্ষার্থী আলেয়া আক্তার রিমা বলেন, বিদ্যুৎত না থাকায় টিক মত পড়ালেখা করা যাচ্ছেনা। এই আসে এই চলে যায়। ফলে সমস্যা হচ্ছে।
অগ্রগামী যুব সংঘ পশ্চিম শ্বাসরাম এর সভাপতি মিনহাজুর রহমান বলেন, সরকারী রাস্তায় লাগানো অনেক গাছ ঝড়ে ভেঙ্গে গেছে। এতে অনেক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু রাস্তায় নয় বসত বাড়িরও অনেক গাছ ভেঙ্গে গেছে।
উত্তর ধর্মদা গ্রামের শেখ মো. মনির মিয়া বলেন, ঝড় আসা মাত্রই বিদ্যুত চলে যায়। আসতে সময় লাগে অন্তত ৪-৫ ঘন্টা। আসা মাত্রই আবার চলে যায়। এ অবস্থার মধ্যে আছেন এলাকাবাসী।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিশ্বনাথ জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. হারুনুর রশীদ বলেন, কিছু ক্রুটি ছিল লাইনে সেগুলো সমাধান করা হয়েছে। এই আসে এই চলে যায় বিদ্যুত এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লাইনে ফল্ট থাকার ফলে এ সমস্যা হয়। লোডশেডিং হচ্ছেনা বলে তিনি দাবী করেন।


