শ্বশুর বাড়িতে জামাতাকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ
প্রকাশিত হয়েছে : ১১ জুন ২০১৫ ইং, ৯:৪০ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৯৭৯ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে শ্বশুর বাড়ির লোকজন কর্তৃক জামাতাকে বেঁধে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুত্বর আহত জামাতাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানাগেছে, বিগত প্রায় ৩ বছর আগে জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চিলাউড়া গ্রামের জাহির উল্লার ছেলে দুলন মিয়ার সাথে একই উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের মাহমদ আলীর মেয়ে শাহীনা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ২ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
আহত জামাতা দুলন মিয়ার বাড়ির লোকজন অভিযোগ করে জানান, দুলন মিয়ার স্ত্রী শাহীনা বেগমের সাথে তার মামাতো ভাই আক্তার মিয়ার অবৈধ সম্পর্কের কারণে বেশ কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে গ্রামে বেশ কয়েকবার শালিস বৈঠক হলেও নিস্পত্তি হয়নি। অবশেষে গত কয়েক দিন ধরে শিশু সন্তানকে নিয়ে দুলন মিয়ার স্ত্রী তার পিত্রালয়ে বসবাস করছেন।
হঠাৎ করে গত ৯ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে শাহীনা বেগম শিশু সন্তানের অসুস্থ্যতার খবর দেয় তার স্বামী দুলন মিয়াকে। এ খবর পেয়ে রাত ৯ টার দিকে দুলন মিয়া তার শ্বশুর বাড়ি ছুটে যায়। সেখানে রাত ১০ টার দিকে দুলন মিয়ার হাত-পা বেধে সারা রাত মারপিট করে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন। খবর পেয়ে পর দিন ১০ জুন বুধবার পাইলগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আপ্তাব উদ্দিন ও স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ গন্যমান্য লোকজন আহত দুলন মিয়াকে উদ্ধার করে তার বাড়ির লোকজনের হেফাজতে দেন।
১১ জুন বৃহস্পতিবার গুরুত্বর আহত দুলন মিয়াকে (২৫) জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। যোগাযোগ করা হলে পাইলগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আপ্তাব উদ্দিন জানান, বিষয়টি পরে নিস্পত্তি হওয়ার কথা বলে আহত জামাতাকে উদ্ধার করে তার বাড়ির লোকজনের কাছে দেয়া হয়েছে।
জগন্নাথপুর থানার এস আই লুৎফর রহমান জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


