জগন্নাথপুরে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত, ৯ রাউন্ড গুলিবর্ষণ
প্রকাশিত হয়েছে : ২৭ জুন ২০১৫ ইং, ১০:০৬ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১০৪৪ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের কমপক্ষে অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগময়না ও গন্ধর্বপুর গ্রামবাসীর মধ্যে।
জানাগেছে, গত শুক্রবার রাতে স্থানীয় রাণীগঞ্জ বাজারে বাগময়না গ্রামের যুবলীগ নেতা সালেহ আহমদ ও তার ভায়রা গন্ধর্বপুর গ্রামের বিলাল মিয়ার মধ্যে পারিবারিক ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বিলাল মিয়া সালেহ আহমদকে মারপিট করেন। এরই জের ধরে শনিবার দুপুরে সালেহ আহমদের ভাই জিয়াউর রহমান ও গন্ধর্বপুর গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা সৈনিকলীগের সভাপতি হুমায়ূন আহমদ তালুকদারের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষে দুই গ্রামবাসীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানার এস আই লুৎফর রহমান, এস আই রতন দেবনাথ ও এস আই অনির্বাণ বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯ রাউন্ড ফাকাগুলি বর্ষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। ততক্ষনে সংঘর্ষের ঘটনায় খেলাফত মিয়া, হুমায়ূন আহমদ তালুকদার, আনা মিয়া, জাবের আলম, মক্কু মিয়া, ছইল মিয়া, জয়নাল আবেদীন, হাসান মিয়া, সাহেদ আহমদ, সুজা মিয়া, মুতাহির আলী, মখলিছ মিয়া, কছরু মিয়া, জিয়াউর রহমান, জাবুল মিয়া, দুলন মিয়া, ছামির আলী, দুলন আহমদ, ছমির উদ্দিন, সেবুল মিয়া, সাইদুল ইসলাম, সুবেল মিয়া, মাজিদুল ইসলাম, টুনু মিয়া, আবু তাহের, আবুল হোসেন, রায়বুল মিয়া, নাহিদুল ইসলাম, হেলাল মিয়া, ইয়াবর মিয়া, চমক আলী, জামির আলী, দুলন আলী, সোহেল মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, এরশাদ মিয়া, ফরিদুল হক, নাজমুল ইসলাম, সাজিদুল ইসলাম, তানভীর আহমদ, নান্টু দাস, জানুর মিয়া, ইউসুফ মিয়াসহ দুই গ্রামবাসীর মধ্যে প্রায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। এর মধ্যে গুরুত্বর আহত ছমির উদ্দিন, জিয়াউর রহমান, রায়বুল ইসলাম, জাবুর মিয়া ও কছরু মিয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
জগন্নাথপুর থানার এস আই লুৎফর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ৯ রাউন্ড ফাকাগুলি ছুড়তে হয়েছে। তা না হলে আরো বড় ধরণের ঘটনা ঘটতো।


