ছাত্রলীগের নতুন সভাপতি সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক জাকির
প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ জুলাই ২০১৫ ইং, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১৩৬২ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স:: ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসাইন। সোহাগ এর আগে সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবেশ সম্পাদক ছিলেন এবং জাকির হোসাইন ছিলেন সহ-সম্পাদক। পরবর্তী দুই বছরের জন্য নতুন নেতা নির্বাচন করতে ছাত্রলীগের ১১০টি ইউনিটের মোট তিন হাজার ১৩৮ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ভোট দেন দুই হাজার ৮১৯ জন। ছাত্রলীগের হাল ধরতে সভাপতি পদে ১০ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৮ জন প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।সোহাগের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর, আর জাকিরের বাড়ি মৌলভীবাজার। সোহাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষের এবং জাকির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এছাড়া তাঁরা দু’জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের ছাত্র ছিলেন। সোহাগ ছিলেন জিয়া হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।
ছাত্রলীগের ২৮তম জাতীয় সম্মেলনের রোববার ছিল দ্বিতীয় দিন। শনিবার প্রথমদিনে সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি অনূর্ধ্ব ২৯ বছর বয়সী প্রার্থীদের মধ্যে প্রত্যক্ষ ভোটে নেতা নির্বাচনের নির্দেশ দেন। সে হিসেবে শনিবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা প্যানেল নির্বাচনের জন্য দফায় দফায় বৈঠক করেন। শুরুতে সাবেক ছাত্রনেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওবায়দুল কাদের। এ বৈঠকে সাবেক নেতারা এক প্রার্থীর বয়স প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যান। ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ের এ বৈঠকে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। পরে গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের ছাত্রলীগের সাবেক এক সভাপতির বাসায় বৈঠকে বসেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা। সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন বৈঠকে। পরে সোহাগ ও জাকিরের প্যানেল ঠিক হয়। সদ্য বিদায়ী সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগের মাধ্যমে সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের মাধ্যমে জাকির হোসাইন প্যানেলে আসেন। বর্তমান কমিটি ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের কথিত ‘সিন্ডিকেট’র প্যানেল চূড়ান্ত হয়ে গেলে ভোটে জিততে পারবেনা নিশ্চিত হয়ে এ পক্ষের বিপরীতে কোন প্যানেল দেয়নি কেউ। এ খবর রাতেই ছড়িয়ে পড়ে রাজধানী জুড়ে। ভোটের আগেই সবাই নিশ্চিত হয়ে যায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন। অনলাইনজুড়ে শুভেচ্ছার ঝড় উঠে যায়। আর সোহাগ-জাকির রাতভর সারাদেশ থেকে আসা কাউন্সিলরদের সঙ্গে দেখা করে ভোট চান। তাদের সঙ্গে তখন বিশাল শোডাউন লক্ষ্য করা গেছে।
সকাল দশটায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরুতেই প্রার্থীদের অনেকেই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। সভাপতি পদের জন্য বৈধ ৬৪ প্রার্থীর মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার পর ১০ জন প্রার্থী ভোটে থাকেন। আর সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য ১৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকেন ১৮ জন। সূত্র মানবকণ্ঠ


