দারুণ জয়ে সমতায় টাইগাররা
প্রকাশিত হয়েছে : ১২ জুলাই ২০১৫ ইং, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৮৮৮ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স:: তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাট বলে সমান রাজত্ব করে দারুণ এক জয় তুলে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে এনেছে বাংলাদেশ। সৌম্য সরকার এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অর্ধশতকে দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ১৬৩ রানের লক্ষ্য ৭ উইকেট আর ২২.২ ওভার হাতে রেখেই অতিক্রম করে টাইগাররা। সিরিজে সমতা আনার পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও নিজেদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে টাইগাররা।যদিও ১৬৩ রানের ছোট লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা একদমই ভালো হয়নি। বাংলাদেশকে আবারো হতাশ করেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। মাত্র ৫ রান করেই কাগিসা রাবাদার বলে ফিরে যান তামিম। এরপর লিটন দাসও ফিরে যান দ্রুতই। দলীয় ২৪ রানের মাথায় ১৯ রান করে রাবাদার বলেই বোল্ড আউট হন লিটন দাস।
এরপর টাইগারদের ইনিংস এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব নেন সৌম্য সরকার এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সৌম্যের আক্রমণাত্মক অর্ধশতকে ১৮ ওভারেই ১০০ পেরিয়ে জয়ের সুবাস পেতে শুরু করে টাইগাররা। সৌম্য এবং রিয়াদ তুলে নেন অর্ধশতক। সাবলীলভাবেই নিজেদের ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন তারা। তবে দল যখন জয় থেকে মাত্র ৪ রান দূরে, তখন কাইল অ্যাবটের বলে আমলাকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান রিয়াদ। ৬৪ বলে ৬টি চারের সহযোগে ৫০ রান করেন রিয়াদ।
সাকিবকে নিয়ে বাকি আনুষ্ঠানিকতাটুকু সারেন সৌম্য। অসাধারণ এক ছয়ের মার দিয়ে জয় পূর্ণ করেন সৌম্য। ৭৯ বলে ৮৮ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে বীরের বেশে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন সৌম্য সরকার। তার ইনিংসে একটি ছয় ছাড়াও ছিল ১৩টি চারের মার।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন প্রোটিয়া দলপতি হাশিম আমলা। তবে শুরুতেই উইকেট তুলে নিয়ে টাইগার শিবিরের গুমোট ভাবটা দূর করে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৫ম ওভারের প্রথম বলে ডি কককে ফিরিয়ে ম্যাচে স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন মুস্তাফিজ। সাব্বির রহমানকে ক্যাচ দিয়ে ৯ বলে ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ডি কক। এরপর বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করতে থাকেন ফাফ ডু প্লেসিস এবং হাশিম আমলা। তবে, ইনিংসের ১৩তম ওভারের প্রথম বলেই হাশিম আমলার উইকেট উড়িয়ে দেন পেসার রুবেল হোসেন। ৩৭ বলে ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন দক্ষিণ আফ্রিকার দলপতি।
টাইগার বোলাররা রান খরচায় মিতব্যয়ীতার সুফল পান শিগগিরই। দলীয় ৫৯ রানের মাথায় রাইলি রুশোকে ফিরিয়ে স্টেডিয়ামকে আবারো আনন্দে ভাসান অলরাউন্ডার নাসির হোসেন। এরপর নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি কিলার মিলারও। ২৪ বলে মাত্র ৯ রান করে মাহমুদউল্লাহর বলে মাশরাফির হাতে ধরা দেন তিনি। দলের রান তখন ২৩.৫ ওভারে সবে ৭৪।
টাইগার বোলাররা রান খরচায় মিতব্যয়ীতার সুফল পান শিগগিরই। দলীয় ৫৯ রানের মাথায় রাইলি রুশোকে ফিরিয়ে স্টেডিয়ামকে আবারো আনন্দে ভাসান অলরাউন্ডার নাসির হোসেন। এরপর নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি কিলার মিলারও। ২৪ বলে মাত্র ৯ রান করে মাহমুদউল্লাহর বলে মাশরাফির হাতে ধরা দেন তিনি। দলের রান তখন ২৩.৫ ওভারে সবে ৭৪।
তবে অন্যপ্রান্তে থেকে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন ফাফ ডু প্লেসিস। কিন্তু দলীয় স্কোর থিতু হওয়ার পর তাকেও শিকারে পরিণত করেন নাসির হোসেন। দলীয় ৯৩ রানের মাথায় সৌম্যকে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান প্লেসিস।
ডুমিনিও পারেননি কিছু করতে। প্রথম ওয়ানডেতে নিষ্প্রভ থাকা মুস্তাফিজ আবারো জ্বলে ওঠায় ২১ বলে ১৩ রান করা ডুমিনিকে ফিরতে হয় সাজঘরে এরপর দ্রুতই ফিরে যান ক্রিস মরিস এবং কাগিসো রাবাদা। দলীয় ১১৬ রানের মাথায় মরিসকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন রুবেল হোসেন। আর রাবাদাকে বোল্ড করে আবারো নিজের জাত চেনালেন তরুণ টাইগার সেনশেসন মুস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন অলরাউন্ডার ফারহান বেহারদিন। দলীয় ১৬০ রানের মাথায় আবারো আঘাত হানেন নাসির। ৫ রান করে এলবিডব্লিউ হন অ্যাবট।
ডুমিনিও পারেননি কিছু করতে। প্রথম ওয়ানডেতে নিষ্প্রভ থাকা মুস্তাফিজ আবারো জ্বলে ওঠায় ২১ বলে ১৩ রান করা ডুমিনিকে ফিরতে হয় সাজঘরে এরপর দ্রুতই ফিরে যান ক্রিস মরিস এবং কাগিসো রাবাদা। দলীয় ১১৬ রানের মাথায় মরিসকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন রুবেল হোসেন। আর রাবাদাকে বোল্ড করে আবারো নিজের জাত চেনালেন তরুণ টাইগার সেনশেসন মুস্তাফিজুর রহমান।
এ সময় একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন অলরাউন্ডার ফারহান বেহারদিন। দলীয় ১৬০ রানের মাথায় আবারো আঘাত হানেন নাসির। ৫ রান করে এলবিডব্লিউ হন অ্যাবট।
প্রোটিয়া ইনিংসের শেষটা মুড়ে দেন টাইগার দলপতি মাশরাফি। বেহরাদিনকে ফেরান তিনি। মাশরাফির হাফ ভলি বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সীমানায় নাসির হোসেনের তালুবন্দী হন বেহারদিন। বেহারদিনের ব্যাট থেকে ৪৪ বলে আসে ৩৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইনিংস।
বাংলাদেশের পক্ষে মুস্তাফিজুর এবং নাসির হোসেন নেন ৩টি করে উইকেট। এ ছাড়া রুবেল হোসেন ২টি এবং মাশরাফি, মাহমুদউল্লাহ নেন একটি করে উইকেট।
এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরলো মাশরাফিবাহিনী। ৭৯ বলে ৮৮ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন সৌম্য সরকার।
আগামী ১৫ তারিখে সিরিজের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে চট্টগ্রামে মুখোমুখি হবে দু’দল।
এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরলো মাশরাফিবাহিনী। ৭৯ বলে ৮৮ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন সৌম্য সরকার।
আগামী ১৫ তারিখে সিরিজের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে চট্টগ্রামে মুখোমুখি হবে দু’দল।


