রাতে পর যেভাবে দিন আসে, আমাদের সামনেও শুভদিন অপেক্ষা করছে—লুনা
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ জুলাই ২০১৫ ইং, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১২৭০ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য জননেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মীনি, সিলেট জেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য বেগম তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, সরকার দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে সুগভীর ষড়যন্ত্র করছে। সে ষড়যন্ত্র কখনও সফল হবেনা। কারণ দেশের আপময় জনসাধারণ তাদের সঙ্গে রয়েছেন।
তিনি বলেন, সরকার জননেতা এম ইলিয়াস আলীর জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে,তাকে অপরহণ করে গুম করে রেখেছে। তিনি দলের সকল নেতাকর্মীদের কে ধৈর্য ধারণ করে পরিস্থিতি মোকাবেলার আহবান জানিয়ে বলেন, রাতে পর যেভাবে দিন আসে, আমাদের সামনেও শুভদিন অপেক্ষা করছে।
তিনি সরকারকে অভিলম্ভে জননেতা এম ইলিয়াস আলীকে জনতার মাঝে ফিরিয়ে দেয়ার আহবান জানিয়ে নেতাকর্মীদের উদ্যোশে বলেন, সরকারের দমন পীড়ন মামলা-হামলা নির্যাতনে ভীত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই দূর্দিনে নিজের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে সকলের প্রতি সকলের শ্রন্ধাবোধ রেখে ঐক্যবদ্ধ গড়ে তুলে সরকারের নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে সকল আর সুন্দর ভীত গড়ে তুলতে হবে। দলের সকল পর্যায়ে শৃংখলা রক্ষা করে এগিয়ে যেতে হবে এবং বিশ্বনাথে বিএনপির দুর্জয় ঘাঁটি অজেয় দুর্জয় ঘাঁটিতে পরিনত করতে তিনি দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীর প্রতি আহবান করেন।
তিনি আরোও বলেন, পুলিশ দিয়ে সরকার ক্ষমতায় চিরস্থায়ী করতে চায়। পুলিশ ছাড়া বিএনপির সামনে দাড়ানোর ক্ষমতায় আওয়া মীলীগের নেই।
ইলিয়াস আলী নিখোঁজ প্রসঙ্গে লুনা বলেন, টিপাইমূখে বাঁধ আন্দোলন, সিলেটে খালেদা জিয়ার সফল জনসভার আয়োজন, দূর্নীতি বিরুদ্ধে কথা বলায় সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করে রেখেছে। জনতার ইলিয়াস জনতার মাঝে ফিরে আসবে এটা আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
লুনা বলেন, যারা দল বদল করে তারা রাজনীতিবিদ নয়,এরা দালাল। এদের পিছনে ইলিয়াস আলীর হাতে গড়া বিএনপির কোনো নেতাকর্মী যেতে পারে,এটা আমি বিশ্বাস করিনা,আপনারও বিশ্বাস করবেনা। সু সময়ে বিএনপিতে কোনো দালালের স্থান হবেনা। আগামী দিনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে সকল আন্দোলনের ডাক দিবেন, সেই আন্দোলনে নেতাকর্মীর ঝাপিয়ে পড়ার আহবান জানান।
তিনি রোববার বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর, দৌলতপুর ও দেওকলস ইউনিয়ন বিএনপির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।
সভাগুলোতে সভাপতিত্বে করেন দশঘর ইউপি বিএনপির সভাপতি সিরাজ খান, দৌলতপুর ইউপি বিএনপির সভাপতি আব্বাস আলী চেয়ারম্যান, দেওকলস ইউপি বিএনপির সভাপতি তাহিদ মিয়া চেয়ারম্যান। পরিচালনা করেন, দশঘর ইউপি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মেম্বার, দৌলতপুর ইউপি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আরব খান, দেওকলস ইউপি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমদ মাছুম।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সদস্য ও বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জালাল উদ্দিন চেয়ারম্যান, সহ-সভাপতি আবুল কালাম কছির, সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া চেয়ারম্যান, যুগ্ম-সম্পাদক হাজী আবদুল হাই, বশির আহমদ, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বেগম স্বপ্না শাহিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদলের আহবায়ক সৈয়দ আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা মহিলাদলের আহবায়ক নুরুনাহার ইয়াছমিন, বিএনপি নেতা ছোট মিয়া মেম্বার, আজাদুর রহমান খান, আনসার, মর্তুজ আলী মানিক, আখরিছ উল্লা মেম্বার, আরশ আলী, দবিরুল ইসলাম মেম্বার, খায়রুল মিয়া মেম্বার, আমির আলী, শাব্বির আহমদ, ক্বারী ফয়জুর রহমান, আরিফ উল্লা,ফারুক মিয়া, শিহাব আহমদ, নুর উদ্দিন, মতিন মেম্বার, রফিক মিয়া, জামাল উদ্দিন, জহুর আলী, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য আলাল আহমদ, ছাত্রদল নেতা নিজামুল ইসলাম, মোজাহিদ আলী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক বশির আহমদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদলের সদস্য সচিব কলমদর আলী, বিএনপি নেতা মতছির আলী, মোতাহির আলী, আলা উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক শামিমুর রহমান রাসেল, নানু মিয়া, কাওছার আহমদ তুলাই, আবদুল লতিফ, গবিন্দমালাকার, যুবদল নেতা আবদুর রব সরকার, আব্বাস আলী সুমন, আবু সুফিয়ান, সাইদুর রহমান রাজু,সাইদুল, রানা মিয়া, সাদেক আলী, দিলোয়ার, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মতিউর রহমান সুমন, সদস্য খালেদ আহমদ, শেখ ফরিদ, গিয়াস উদ্দিন, লিটন সিকদার, রুহেল আহমদ কালু, রাসেল মাহমুদ, সুমন আহমদ প্রমূখ।


