অলৌকিকভাবে থেমে গেলো ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’
প্রকাশিত হয়েছে : ৩০ জুলাই ২০১৫ ইং, ৮:৫০ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১৬০৩ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স:: অঝোরে বৃষ্টি ঝরিয়ে অবশেষে দুর্বল হয়ে চট্টগ্রাম উপকুল অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’। ৬২ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা ‘কোমেন’ অনেকটা অলৌকিকভাবেই শক্তি হীন হয়ে উপকুল অতিক্রম করে। এর মধ্যে দিয়ে অবসান হয় সব উৎকণ্ঠা, জল্পনা-কল্পনার।
ঘূর্ণিঝড় কোমেনের আঘাত থেকে রক্ষায় পেতে চট্টগ্রামের পাঁচ উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরে গেছে। সহায়-সম্বল ফেলে জীবন রক্ষার্থে আশ্রয় কেন্দ্রে আসা ওই সব মানুষ বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়ে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে শোকরিয়া আদায় করেছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় কোমেন ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে পূর্বের সতর্কবার্তা অনুযায়ী এটি চট্টগ্রাম ও তৎসংলগ্ন উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা নেই। তবে উপকূলীয় এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস দেখা যাবে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ মোকাবেলায় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। বৃহস্পতিবার নগরী ও জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বুধবার মধ্যরাত থেকেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। এরপর দলে দলে মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করে। চট্টগ্রামের উপকূলীয় উপজেলা আনোয়ারা, বাঁশখালী, সীতাকু-, মিরসরাই ও সনদ্বীপ উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আসে। সকাল ১০টায় দুর্যোগ মোকাবেলায় করণীয় নির্ধারণে জেলা প্রশাসনের এক জরুরী বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সর্তক বার্তা অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় কোমেন আঘাত আনলে জানমালের নিরাপত্তা ও দুর্যোগ পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হয়। প্রস্তুত রাখা হয়, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ২৭৮টি মেডিকেল টিম পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বুধবার রাত ১টায় বন্দরের জরুরী বৈঠক শেষে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ নম্বর অ্যালার্ট জারি এবং খোলা হয় কন্ট্রোল রুম। বন্দর জেটির সব ধরণের পণ্য উঠা নামা বন্ধ রাখা হয়। কর্ণফুলীর মোহনায় থাকা জাহাজগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়। এছাড়া বর্হিনোঙরে অবস্থান করা জাহাজগুলোকে সার্বক্ষণিক ইঞ্জিন চালু রেখে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে বলা হয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
রাত ৮টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিপাত হলেও কোথাও তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সূত্র মানবকণ্ঠ
পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় কোমেন ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে পূর্বের সতর্কবার্তা অনুযায়ী এটি চট্টগ্রাম ও তৎসংলগ্ন উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা নেই। তবে উপকূলীয় এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস দেখা যাবে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ মোকাবেলায় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। বৃহস্পতিবার নগরী ও জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বুধবার মধ্যরাত থেকেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। এরপর দলে দলে মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করে। চট্টগ্রামের উপকূলীয় উপজেলা আনোয়ারা, বাঁশখালী, সীতাকু-, মিরসরাই ও সনদ্বীপ উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আসে। সকাল ১০টায় দুর্যোগ মোকাবেলায় করণীয় নির্ধারণে জেলা প্রশাসনের এক জরুরী বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সর্তক বার্তা অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় কোমেন আঘাত আনলে জানমালের নিরাপত্তা ও দুর্যোগ পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হয়। প্রস্তুত রাখা হয়, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ২৭৮টি মেডিকেল টিম পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বুধবার রাত ১টায় বন্দরের জরুরী বৈঠক শেষে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ নম্বর অ্যালার্ট জারি এবং খোলা হয় কন্ট্রোল রুম। বন্দর জেটির সব ধরণের পণ্য উঠা নামা বন্ধ রাখা হয়। কর্ণফুলীর মোহনায় থাকা জাহাজগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়। এছাড়া বর্হিনোঙরে অবস্থান করা জাহাজগুলোকে সার্বক্ষণিক ইঞ্জিন চালু রেখে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে বলা হয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
রাত ৮টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিপাত হলেও কোথাও তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সূত্র মানবকণ্ঠ


