সিলেটে জাতীয় পার্টির সংঘর্ষ-গুলি, আটক ১৫
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ জুলাই ২০১৫ ইং, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১২৫০ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স::সিলেট সার্কিট হাউসে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ সিদ্দিকী ও যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় গুলাগুলির ঘটনাও ঘটে। সংঘর্ষকালে সার্কিট হাউসে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় দলটির ১৮ জন নেতাকর্মীকেও আটক করা হয়। বুধবার রাত ৮টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ইফতারের আগে স্লোগান দেয়াকে কেন্দ্র করে আবদুল্লাহ সিদ্দিকী ও ইয়াহইয়া গ্র“পের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে জিয়াউদ্দিন বাবলুর হস্তক্ষেপে উভয়পক্ষ শান্ত হয়।
ইফতারের পর জিয়াউদ্দিন বাবলু নগরীর সুরমাপাড়স্থ সার্কিট হাউসে ওঠেছেন এমনটা ধারণা করে আবদুল্লাহ গ্রুপের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হন। রাত ৮টার দিকে এহিয়া তার অনুসারীদের নিয়ে সেখানে যাওয়ার পর উভয়পক্ষের মধ্যে ফের উত্তেজনা দেখা দেয়।
একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনা গেছে বলে জানা যায়। সার্কিট হাউসেও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ২২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় সেখান থেকে জাপার ১৮ জন নেতাকর্মীকেও আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া বলেন, তার অনুসারী জেলা জাপা নেতা রফিকুল আলম লালুকে সার্কিট হাউসে আবদুল্লাাহ সিদ্দিকীর অনুসারী জেলা জাপা নেতা বাছির আহমদ মারধর করেছেন এমন খবরে নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হয়। পরে তিনিও ঘটনাস্থলে যান।
সেখান থেকে ফেরার পথে আবদুল্লাহ সিদ্দিকীর অনুসারীরা সাধারণ নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। সংঘর্ষের সময় কয়েক রাউন্ড গুলি হয়েছে, কিন্তু কে বা কারা গুলি করেছে, তা তার জানা নেই বলে জানিয়েছে ইয়াহইয়া।
জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, ‘ইয়াহইয়ার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা নেতাকর্মীদের উপর গুলি চালায় এবং সার্কিট হাউসে ব্যাপক ভাঙচুর করে।’
এসময় জিয়াউদ্দিন বাবলুকে নিয়ে তিনি শাহজালার (রহ.) এর মাজার জিয়ারতে ছিলেন বলে জানিয়েছেন আবদুল্লাহ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিলেট কোতোয়ালি থানার সহকারি কমিশনার সাজ্জাদুল আলম জানান, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ২২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় জাপার ১৮ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।


