নির্বাচনীতে পাশ ছাড়া দেয়া যাবে না পাবলিক পরীক্ষা
প্রকাশিত হয়েছে : ০৪ আগস্ট ২০১৫ ইং, ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ | সংবাদটি ১২২১ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স::নির্বাচনী পরীক্ষায় কৃতকার্য না হলে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া যাবে না বলে পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে বাতিল হলো গত ১ মার্চ জারি করা পরিপত্রটি। আগের পরিপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছিল এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষাগুলোয় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলেও চলবে। সেক্ষেত্রে যোগ্যতা হবে কেবল ক্লাসে ৭০ শতাংশ উপস্থিতি। সোমবার জারি করা নতুন এই পরিপত্রের মাধ্যমে ওই নির্দেশনা বাতিল করেছে মন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয়ের সহকারি সচিব অসীম কুমার কর্মকার স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, “শুধু ৭০ শতাংশ ক্লাস হাজিরার ভিত্তিতে নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হলে পরীক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগ নষ্ট হবে এবং পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার গুরুত্ব হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।”
গত মার্চে দেয়া ওই পরিপত্রের নির্দেশনায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ বিভিন্ন মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রকাশিত পরিপত্রে বলা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে,”এ নির্দেশনা সম্বলিত পরিপত্রটি জারির পর শিক্ষক-অভিভাববক, শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ এবং সুশীল সমাজের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও অযোগ্য অনিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীকে পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রেরণ করা মোটেই কাম্য নয়।”
তবে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি কারণে কোনো শিক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নিতে অসমর্থ হলে তার একাডেমিক-পূর্ব রেকর্ড ও ক্লাস কার্যক্রমের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্তৃক বিবেচনার মাধ্যমে পুনরায় নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণের মধ্য দিয়ে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ থাকছে বলে জানানো হয়। তবে অনুত্তীর্ণ হলে কোনোভাবেই চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না বলে বারবার জানিয়ে দেয়া হয়েছে পরিপত্রে।


