ব্রিটেনে ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ ইংরেজি জানে না
প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ আগস্ট ২০১৫ ইং, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১৩৯৪ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স:: ইংরেজি ভাষা না জানলে চাকুরি থেকে বঞ্চিত হবেন ব্রিটেনে বসবাসকারীগণ। বিশেষ করে যারা সরাসরি পাবলিকের সঙ্গে কাজ করবেন তাদেরকে অবশ্যই ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলায় দক্ষ থাকতে হবে। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে এনএইচএস এবং কাউন্সিলের কাজ পেতে হলে আবেদনকারীর ইংরেজি ভাষার দক্ষতা জিসিএসই গ্রেড সি বা তার উপরে থাকতে হবে বলে বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। শুধু সার্টিফিকেটই যথেষ্ট নয় এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার অধীনস্তদের ইংরেজি কমিউনিকেশনের বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখবেন বলেও নতুন আইনে বলা হয়েছে।২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী ইউকেতে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হিসাব অনুযায়ী ইউকের ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন মানুষ খুব ভালোভাবে ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন। আর ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন খুব ভাল নয় তবে মোটামুটিভাবে ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন। আর ৭ শ ২৬ হাজার মানুষ কিছু কিছু ইংরেজি জানেন।
নতুন ইমিগ্রেশন বিলের অংশ হিসেবে অনর্গল ইংরেজি ভাষায় কথা বলার ইস্যুটি নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্যাবিনেট মিনিস্টার ম্যাট হ্যানকক। সেপ্টেম্বর থেকে তা কার্যকর হবে।
নতুন আইনের অধীনে পাবলিক সেক্টরে বিশেষ করে যে সব ওয়ার্কার সরাসরি কাস্টমার সার্ভ করেন বা পাবলিক ফেইস করেন তাদেরকে অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় কথা বলার লেভেলটি ব্রিটিশ স্কুল স্ট্যান্ডার্ড হতে হবে। যে কোনো পাবলিক অফিস, সোস্যাল ওয়ার্কার, শিক্ষক, সহকারি শিক্ষক এবং কাউন্সিল কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে নতুন আইনটি বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হবে।
হেলথ কেয়ার সেক্টরে ইংরেজি ভাষায় স্বল্প দক্ষতা যে কতোটা বিপদজ্জনক তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই পেয়েছে সরকার। ২০০৮ সালে একজন জার্মান ডাক্তার ভুলবশত এক রোগীকে পেইন কিলারের বদলে অন্য ঔষধ দিয়েছিলেন। এ ঘটনাকে রেফারেন্স হিসাবে দেখিয়ে সরকার মনে করছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষ ওয়ার্কাররা যেমন ভালো সেবা দিতে পারবেন ঠিক তেমনি ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হবে নতুন আইন।
ইতিমধ্যে ইউকেতে কর্মরত বিদেশি ডাক্তারদের ইংরেজি ভাষায় অত্যন্ত দক্ষ হতে হবে বলে নিয়ম চালু করা হয়েছে। ডাক্তারদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার বিষয়টি তদারকি করছে জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিল।
গত বছরের জুন থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নাগরিকদের ব্রিটেনে কাজ পেতে হলে ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্টে পাশ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সূত্র মানবকন্ঠ


