সিলেট-সুলতানপুর-বালাগঞ্জ সড়কের ৪ কি:মি: অংশ যেন ‘মিনি কুশিয়ারা’
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ আগস্ট ২০১৫ ইং, ৬:০৭ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১১৮৯ বার পঠিত
শামীম আহমদ বালাগঞ্জ থেকে: সিলেট-সুলতানপুর-বালাগঞ্জ সড়কের চার কিলোমিটার অংশে বিশাল গর্ত ভাঙ্গন আর ফাটলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রাস্তাটিতে একাধিকবার সংস্কার কাজ করা হলেও সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের অনিয়ম দুর্নীতি আর নি¤œ মানের নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করায় অল্প দিনের মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে বিশাল আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বর্ষায় বৃষ্টিপাতের কারনে রাস্তাটি মিনি কুশিয়ারায় রুপ নিয়েছে। ফলে যাত্রীবাহী ছোট-বড় যানবাহন গুলো ঝুকি নিয়ে চলাচলের কারনে দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। র্দীঘ দিন যাবৎ রাস্তাটি ভাঙ্গন আর বড়-বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চরম জনদুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। সড়কের ভগ্নদশার কারনে গত দুই বছরে ছোট-বড় মিলিয়ে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনায় ২০ জনেরও বেশি যাত্রী আহত হয়েছেন। তাছাড়া বন্যা কবলিত ও হাওরাঞ্চল হওয়ায় প্রতিনিয়ত এ রাস্তাটি ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। সংশ্লি¬ষ্ট কর্তপক্ষের অবহেলা আর গাফিলাতির কারনে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকায় রয়েছেন এলাকাবাসী। সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, বালাগঞ্জ বাজার সংলগ্ন সিরিয়া বাস ষ্টেন্ড থেকে সিলেট পর্যন্ত ২৯ কিলোমিটার দৈর্ঘের এই রাস্তায় গত বছর সংস্কার কাজ হয়। এর মধ্যে ৪ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারহীন থাকায় যানবাহন ও যাত্রীদের দুর্ভোগের অন্ত নেই। আজিজপুর বাজার, জামালপুর, হায়দরপুর, ছাম্পার কান্দি, আহমদপুর এবং গহরপুর-মোরার বাজার পর্যন্ত এই ৪ কিলোমিটার রাস্তা ভেঙ্গে বড়-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, এক বছর পুর্বে রাস্তার সংস্কার কাজ চলাকালীন সময়ে এই ৪ কিলোমিটার অংশে কোনো কাজ করা হয় নাই। এ অবস্থায় সড়কে যাতায়াতকারী যানবাহন এবং যাত্রী সাধারন প্রতিদিন চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এতে করে প্রসুতি নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ্য রোগীদের বাড়তি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান বলেন, সড়কটি এমনিতেই ছোট তার মধ্যে সংষ্কারের অভাবে বড়-বড় গর্ত হয়েছে। যাত্রী সাধারনের কথা চিন্তা করে সড়কটির সংষ্কার করা জরুরী হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্ধা কলেজ ছাত্র সদরুল হাসান নবীন বলেন, রাস্তার ভাঙ্গন কবলিত স্থান গুলোতে যাত্রীদেরকে গাড়ী থেকে নেমে পায়ে হেটে যেতে হয়। এ বিষয়ে বক্তব্য নেয়ার জন্য সিলেট সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিশিয়াল নাম্বারে বেশ কয়েক বার ফোন দিলেও কেউ ফোন রিসিভ করেননী।


