ওসমানীনগরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ভঙ্গ হলো ৭ম শ্রেনীর ছাত্রীর বিয়ে
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ আগস্ট ২০১৫ ইং, ৫:১৪ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১২৬৩ বার পঠিত
শিপন আহমদ,ওসমানীনগর:: সিলেটের ওসমানীনগরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবশেষে ভঙ হয়েছে ৭ম শে শিক্ষার্থী বাল্য বিবাহের আয়োজন। গতকাল বিকেলে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনের উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বর-কনের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ বিয়ের আয়োজন ভেঙে দেন।
জানাযায়, দীঘদিন ধরে কনের পিতা মাজরু মিয়া তাঁর পরিবার সকল সদস্যরে নিয়ে উপজেলা মোল¬াপাড়া গ্রামের আবদুল করিমের বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। আজ সোমবার উপজেলার তাজপুর ইউপির কাদীপুর গ্রামের আছকর আলীর ছেলে সাহেদ আহমদের সঙ্গে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীতে পড়ুয়া মাজরু মিয়া সুহেলা বেগম (১৪) এর বিয়ের আয়োজন করেন কনের মা-বাবা। খবর পেয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার মাধ্যমে থানা পুলিশকে লিখিত ভাবে জানান বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। পরবর্তীতে শনিবার সন্ধ্যায় মানবাধিকার কমিশনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কনের আশ্রয়দাতা মোল¬াপাড়া গ্রামের আবদুল করিমের বাড়িতে যান। বাল্য বিবাহের বন্ধের ব্যাপারে প্রথমে কনের অভিভাবকরা উপস্থিত প্রশাসানের লোকজনের সঙ্গে ঝামেলা করলেও পরবর্তীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গের হস্তক্ষেপে ও কাদীপুর গ্রামের বরের বাড়িসহ উভয় অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এ বিয়ের আয়োজন ভঙ্গ করা হয়।
মানবাধিকার কমিশনরের উপজেলা শাখার সভাপতি এস এম সোহেল জানান,কনের পরিবারের আশ্রয়দাতা আবদুল করিম প্রথমে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করতে একটু জামেলা করলেও পরবর্তীতে স্থানীয় চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষের অভিভাবকরা বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দিবেন বলে অঙ্গিকার করেছেন।
উমরপুর ইউপি চেয়ারম্যান রোটারিয়ান ফারুক আহমদ বাল্য বিবাহের বন্ধের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বর ও কনের অভিভাবকরা নিজ থেকেই ধার্য্যকৃত বিয়ের আয়োজন ভঙ্গ করে দিয়েছেন। বয়স পূর্ন না হওয়া পর্যন্ত আর বিয়ের আয়োজন করবেন না বলে এই মর্মে অঙ্গিকার করেছেন।


