সিলেট বিএনপির দায়িত্ব পাচ্ছেন ইলিয়াস পত্নী লুনা!
প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ নভেম্বর ২০১৫ ইং, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১২৪১ বার পঠিত
নিউজ ডেস্ক:: শমশের মোবিনের হঠাৎ রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ায় সিলেট বিএনপি এখন নেতা শুণ্য। এম সাইফুর রহমান’র মৃত্যূর পর শক্ত হাতে সিলেট বিএনপির দায়িত্ব সামলে ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী। তার সময় সিলেট বিএনপি সাংগঠনিকভাবে অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে ছিলো বলে নেতাকর্মীরা মনে করে। তার নিখোঁজের পর দলের সাংগঠনিক অবস্থা অনেকটা নাজুক হয়ে পরে।
তবে ইলিয়াস নিখোজেঁর পর সিলেট বিএনপির অপর একটি অংশের নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় কেন্দ্রিয় ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মোবিন চৌধুরী কে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত সাবেক শীর্ষ আমলা শমশের মোবিন চৌধুরী জাতীয় পর্যায়েরও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিত্ব ছিলেন। তাকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন ছিলো সিলেটবাসীর। কিন্তু সব শেষ হয়ে গেছে তার পদত্যাগে। নন্দিত থেকে এখন দলে নিন্দিতই হয়ে গেছেন তিনি। দলের চরম বিপদে পদত্যাগ করে দলকে আরো বিপদে ফেলে দিয়েছেন – এমন অভিযোগ সিলেট বিএনপি পরিবারের।
জাতীয় পর্যায়ের হেভিওয়েট নেতা শমশের মোবিনের এভাবে চলে যাওয়ায় সিলেট বিএনপিতে শুণ্যস্থান সৃষ্টি হয়েছে। কাউন্টারপার্ট সিলেট আওয়ামীলীগে অসংখ্য নেতাকর্মী কেন্দ্রে দাপটশালী হলেও সিলেট বিএনপিতে শমশের-ই শেষ নেতা যিনি খালেদা জিয়ার পররাষ্ট্র বিষয় তদারকি করতেন। পাশাপাশি বিএনপিতে ভাইটাল অবস্থানে ছিলেন। তাই সিলেটজুরে চলছে আলোচনা এখন কে হবে সিলেট বিএনপির শীর্ষ নেতা যার কেন্দ্রে থাকবে শক্তিশালী অবস্থান আর সিলেটেও নেতাকর্মীরা পাবে তাদের আগামীদিনের ভরসারস্থান ।
সেই হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় তারা হলেন, নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহশিনা রুশদী লুনা, ইনাম আহমদ চৌধুরী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াৎ হোসেন জীবন, শাম্মী আক্তার ও সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হক প্রমুখের নাম।
ইনাম আহমদ চৌধুরী আবারো রাজনীতিতে সক্রিয় করে দলের দায়িত্ব নেয়ার পরামর্শ কেন্দ্র কে দিচ্ছেন অনেকে । তিনি জাতীয় পর্যায়ের ব্যাক্তিত্ব। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে প্রাইভেটাইজেসন বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। তবে স্থানীয় রাজনীতি ও সাংগঠনিক দক্ষতা নেই বলে তাকে চাচ্ছে না কেউ। এছাড়া ওয়ান ইলেভেনে ইনাম চৌধুরী পরিবার জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণ করেছেন বলে নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করে।
পাশাপাশি নাম শোনা যাচ্ছে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াৎ হোসেন জীবন’র । ইলিয়াস আলী প্রথম যখন সাংগঠনিকের দায়িত্ব পান একই সময় তাকেও দেয়া হয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদ। তিনি অরাজনৈতিক প্লাটফর্ম থেকে এসেছেন। রাজনীতির মারপ্যাচে এখনও ইলিয়াস আলীদের মতো পরিপক্ক নয়। এবং কেন্দ্রে তার অবস্থান শক্তিশালী না যতটা সাইফুর, ইলিয়াস ও শমশের’র ছিলো। আর সিলেট বিভাগীয় রাজনীতিতেও তেমন পরিচিত না তিনি। যার কারণে তার সম্ভাবনা দেখছেন না নেতাকর্মীরা।
মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হক এখণ রাজনীতিতে প্রায় নিষ্ক্রিয়। এবং সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে সরে নিজের ব্যাবসাপাতি নিয়ে ব্যাস্ত। তবে তার অনুসারী একটি অংশ শমশের মোবিনের পদত্যাগের পর তাকে সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচন করা পরামর্শ দিচ্ছেন। পাশাপাশি দলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব তাকে যেন দেয়া হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখি করছেন। কিন্তু সিলেট রাজনীতির বেশিরভাগ নেতাকর্মী তার ব্যাপারে নেগেটিব। তিনি আবার রাজনীতিতের সক্রিয় হন এমনটা চাচ্ছে না কেউ।
তাহশিনা রুশদীর লুনা কে সিলেটের দায়িত্বে দেখতে চান দলের বিশাল একটি অংশ। তিনি নিখোঁজ ইলিয়াস আলীর ইমেজ কাজে লাগিয়ে দলকে শক্তিশালী কাঠামোতে নিয়ে আসতে পারবেন বলে নেতাকর্মীরা মনে করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া উচ্চ শিক্ষিতা লুনা ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তা ছাড়া ইলিয়াস আলীর দক্ষ রাজনৈতীক কর্মকান্ড খুব কাছ থেকে তিনি দেখেছেন। সে ক্ষেত্রে লুনার উপর ন্যাস্ত হতে পারে সিলেট বিএনপির দায়িত্ব । সিলেট বিএনপি পরিবারের দাবী লুনাই যোগ্য। সে-ই পারবে আগামীতে গ্রুপিং এ বিপর্যস্থ সিলেট বিএনপিকে এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে।
এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, সিলেট বিভাগের আগামী দিনের হাল ধরার জন্য


