বিশ্বনাথে মাদরাসা ছাত্র সালমান হত্যা মামলায় আরও দুই যুবক গ্রেফতার
প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ জানুয়ারি ২০১৬ ইং, ১:৪২ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৭৬০ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: সিলেটের বিশ্বনাথে মাদরাসা ছাত্র সালমান আহমদ হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আরও দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-মাদরাসার শিক্ষককের গাড়ি চালক ও উপজেলার পশ্চিম মীরের গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে কাইয়ুম মিয়া (২৪), উপজেলার জানাইয়া গ্রামের আরশ আলীর ছেলে মোজাম্মিল আলী (২৪)। রোববার রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার ওসি আবদুল হাই।
তিনি ডেইলি বিশ্বনাথ ডটকমকে বলেন, রোববার রাতে ওই দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার সকালে মাদরাসা ছাত্র সালমান আহমদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ওসি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদকালে তাদের কাছ থেকে গূরুত্বপূর্ন তথ্য পাওয়া গেছে। হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলছে, শিগগিরই তা উদঘাটিত হবে।
এদিকে,গ্রেফতারকৃত দুই যুবকের পরিবারের দাবি তারা নির্দোষ। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাদের হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।
গ্রেফতারকৃত কাইয়ুম মিয়ার ভাই হালিম মিয়া ডেইলি বিশ্বনাথ ডটকমকে বলেন, পুলিশের কথা মতো রোববার রাতে তার ভাই কাইয়ুমকে তিনি নিজে থানায় নিয়ে আসেন। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে থানায় এসে জানতে পারেন তার ভাইকে মাদরাসা ছাত্র হত্যা মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। কাইয়ুম মাদরাসার এক শিক্ষককের প্রাইভেট গাড়ি চালক বলে তিনি জানান। তার ভাই নিদোর্ষ বলে তিনি দাবি করেন।
প্রসঙ্গত, গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের পূর্বগাঁও গ্রামের বাকপ্রতিবন্দি ছোটন মিয়া ও কুতুবি বেগম দম্পত্তির পুত্র সালমান আহমদ (১৭)। সে বিশ্বনাথ জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া মাদরাসা’র ফজিলত ১ম বর্ষের ছাত্র। দীর্ঘদিন ধরে সে মাদরাসার বোডিং-এ থেকে লেখাপড়া করে আসছিল। গত ২৯ ডিসেম্বর রাতে খুন করা হয় তাকে। ৩০ ডিসেম্বর সকালে উপজেলার নতুন বাজার এলাকার একটি বাসার মধ্যবর্তী সড়কে সালমান আহমদের লাশ পাওয়া যায়। এর পরদিন ৩১ ডিসেম্বর সালমানের মা কুতুবি বেগম বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মাদরাসার প্রিন্সিপালসহ চার জন জেল হাজতে রয়েছেন।


