বিশ্বনাথে মাদ্রাসা ছাত্র সালমান হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে পোস্টারিং
প্রকাশিত হয়েছে : ১১ জানুয়ারি ২০১৬ ইং, ৭:০৯ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১০১০ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা সদরস্থ জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া মাদ্রাসার ফজিলত ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সালমান আহমদ (১৭) হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে ‘প্রতিবাদী সিলেটবাসী’ নামের একটি সংগঠন পোস্টারিং করেছে। উপজেলার সর্বত্র জুড়ে ওই পোস্টারিং করার ফলে অনেকটাই নিস্তদ্ধ হয়ে যাওয়া প্রশাসনের হত্যার রহস্য উদঘাটন প্রক্রিয়া আবারও সক্রিয় হবে বলে ধারণা করছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সালমান হত্যার (২৯ ডিসেম্বর) ১৪ দিন পেরিয়ে গেলেও কি কারণে সালমানকে হত্যা করা হয়েছে কিংবা কারা ওই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তা এখনও অন্ধকারেই রয়েছে। পুলিশ প্রশাসন কিংবা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কিংবা অন্য কোন গোয়েন্দা সংস্থা এব্যাপারে সঠিক কোন তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরতে পারেনি।
উপজেলার নতুন বাজার এলাকার তফজ্জুল আলী কমপ্লেক্স বাসার মধ্যবর্তী সড়কে সালমান আহমদের লাশ ৩০ ডিসেম্বর সকালে পাওয়ার পর ঘটনাস্থ থেকে পুলিশ আটক করে সালমানের সহপাঠী ও প্রিন্সিপালের (শিব্বির) ছোট ভাই মহসিন উদ্দিন নাঈমকে আটক করে। বর্তমানে সেও (নাঈম) জামিনে রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, সালমান আহমদ সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগাঁও গ্রামের বাকপ্রতিবন্দি ছোটন মিয়া ও কুতুবি বেগম দম্পত্তির সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে সে মাদ্রাসার বোডিং-এ থেকে লেখাপড়া করে আসছিল। সালমান হত্যার পর ৩১ ডিসেম্বর তাঁর (সালমান) মা কুতুবি বেগম বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২০ (তাং ৩১/১২/২০১৫ইং)। মামলার লিখিত অভিযোগে বাদিনী উল্লেখ করেছেন যে তিনি ধারণা করছেন, মরহুম মাওলানা আশরাফ আলীর পুত্র ও মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শিব্বির আহমদের ছোট ভাই মহসিন উদ্দিন নাঈন অজ্ঞাতনামা দৃস্কৃতকারীদের যোগসাজশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাঁর (বাদিনী) পুত্র সালমানকে হত্যা করেছে।


