বিশ্বনাথে বিপাকে তিনশতাধিক ষাঁড়ের মালিক
প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ জানুয়ারি ২০১৬ ইং, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ | সংবাদটি ২১৩৫ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: সিলেট বিভাগের সর্বত্র শীতকালীন ষাঁড়ের লড়াই প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন উচ্চ আদালত। পাশপাশি এ ব্যাপারে আইন ও স্বরাষ্ট্র সচিবসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে রুলও জারি করা হয়েছে।শনিবার সন্ধ্যায় এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন রিটকারি পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীণপিচ’ সিলেটের সাধারণ সম্পাদক রাহাত আহমদ টিপু।
এদিকে, এমন খবরে সিলেটের বিশ্বনাথে তিন শতাধিক ষাঁড়ের মালিক রয়েছেন বিপাকে। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ষাড়ের লড়াই অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। কিন্তু এবছর এখনও উপজেলার কোথাও ষাড়ের লড়াই হওয়ার খবর পাওয় যায়নি। তবে আদালত ষাড়ের লড়াই প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে রুল জারি করায় ষাঁড় মালিকরা রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক ষাঁড় রয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ সুপ্র্রীমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ গত ১৯ জানুয়ারি এ আদেশ জারি করেন।
পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীণপিচ’ সিলেট-এর সাধারণ সম্পাদক রাহাত আহমদ টিপুর দায়ের করা এক রিট পিটিশনের (নং-৩৭৭/১৬) প্রেক্ষিতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
রাহাত আহমদ টিপু সাংবাদিকদের জানান, উচ্চ আদালতের আদেশে ষাঁড়ের লড়াই, মোরগ লড়াইসহ সবধরনের পশুর লড়াই প্রতিযোগিতা কেনো বেআইনী ঘোষণা করা হবে না এ মর্মে কারণ দর্শাতে ১৩ জনের বিরুদ্ধে রুলনিশি জারি করা হয়।
পশুর লড়াইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞার পাশপাশি আগামী ৬ মাসের মধ্যে কারণ দর্শাতে ও রুলের জবাব দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাদী পক্ষে রিটের শুনানি করেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান সেলিম।
যাদের বিরুদ্ধে রুল জারি করা হয়েছে- আইন মন্ত্রণালয় সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, আইজিপি, সিলেট রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার এবং সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারগণ।
বাংলাদেশ সুপ্র্রীমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ গত ১৯ জানুয়ারি এ আদেশ জারি করেন।
পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীণপিচ’ সিলেট-এর সাধারণ সম্পাদক রাহাত আহমদ টিপুর দায়ের করা এক রিট পিটিশনের (নং-৩৭৭/১৬) প্রেক্ষিতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
রাহাত আহমদ টিপু সাংবাদিকদের জানান, উচ্চ আদালতের আদেশে ষাঁড়ের লড়াই, মোরগ লড়াইসহ সবধরনের পশুর লড়াই প্রতিযোগিতা কেনো বেআইনী ঘোষণা করা হবে না এ মর্মে কারণ দর্শাতে ১৩ জনের বিরুদ্ধে রুলনিশি জারি করা হয়।
পশুর লড়াইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞার পাশপাশি আগামী ৬ মাসের মধ্যে কারণ দর্শাতে ও রুলের জবাব দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাদী পক্ষে রিটের শুনানি করেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মো. কামরুজ্জামান সেলিম।
যাদের বিরুদ্ধে রুল জারি করা হয়েছে- আইন মন্ত্রণালয় সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, আইজিপি, সিলেট রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার এবং সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারগণ।
এব্যাপারে উপজেলার পুরানগাঁও গ্রামের ষাঁড়ের মালিক নাজিম উদ্দিন ডেইলি বিশ্বনাথ ডটকমকে বলেন, ষাঁড়ের লড়াই বন্ধ হলে কয়েক লাখ টাকা ক্ষতি হবে। আমরা শুধু বিনোদনের জন্য ষাঁড়ের লড়াই করে থাকি।
তিনি বলেন, আগামী মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ জেলার হাসকুরি বিরগাঁও মাঠে বিশাল ষাঁড়ের লড়াই আয়োজন করা হয়েছে। এতে আমাদের উপজেলার ১২টি ষাঁড় এ লড়াইয়ে অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। যদি এই লড়াই বন্ধ হয়ে যায়,তাহলে অনেক ষাঁড় মালিকের ব্যাপক ক্ষতি হবে।
তিনি বলেন, আগামী মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ জেলার হাসকুরি বিরগাঁও মাঠে বিশাল ষাঁড়ের লড়াই আয়োজন করা হয়েছে। এতে আমাদের উপজেলার ১২টি ষাঁড় এ লড়াইয়ে অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। যদি এই লড়াই বন্ধ হয়ে যায়,তাহলে অনেক ষাঁড় মালিকের ব্যাপক ক্ষতি হবে।
সিলেট জেলার সাত থানার ষাঁড়ের লড়াই আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমান আলী বলেন, বিশ্বনাথে প্রায় তিন শতাধিক ষাঁড় রয়েছে। একেকটি ষাঁড়ের পেছনে প্রচুর টাকা ব্যয় হয়।
বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আসাদুল হক ডেইলি বিশ্বনাথ ডটকম কে বলেন, মহামান্য আদালতের নির্দেশ মোতাবেক আমরা ষাঁড়ের লড়াই বন্ধ রেখেছি।
বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আসাদুল হক ডেইলি বিশ্বনাথ ডটকম কে বলেন, মহামান্য আদালতের নির্দেশ মোতাবেক আমরা ষাঁড়ের লড়াই বন্ধ রেখেছি।


