বিশ্বনাথে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
প্রকাশিত হয়েছে : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ইং, ৮:১২ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৭১৬ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: সিলেটের বিশ্বনাথে দেওকলস ইউনিয়ন বাসিন্দা শামীম আহমদের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গায় লাগানো বেলজিয়াম প্রজাতির ৭টি গাছ কাঁটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে কাঁটা ৫টি গাছের অংশ নিজের জিম্মায় নিয়ে নিলেও একটি গাছ আধা কাঁটা অবস্থায় রয়েছে ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায়।
উপজেলার ‘বিশ্বনাথ-বাগিচাবাজার সড়ক’ থেকে সংযোগকৃত ‘কজাকাবাদ-বাগিচা সড়ক’র প্বার্শে থাকা পরিবেশ বান্ধব মুল্যবান ৭টি (জীবিত) গাছ কেঁটেছেন শামিম আহমদ। মঙ্গলবার থেকে কাঁটা বেলজিয়াম প্রজাতির ওই গাছগুলোর বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। সড়কটি উপজেলা প্রকৌশলীর অধিনস্থ বলে স্বীকার করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম শওকত।
এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকরা সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ৭টি গাছ কাঁটার সত্যতা পাওয়া পান। এর মধ্যে পাঁচটি গাছই তড়িগড়ি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে সেখানে গিয়ে শামীম আহমদকে পাওয়া যায়নি। তবে গাছ কাঁটার ঠিকাদার ওসমানী নগর থানার পারকুল গ্রামের মৃত আরিফ উল্লার পুত্র ছাইফুর রহমান’কে পাওয়া যায়।
তার সাথে আলাপ করে জানা যায়, দেওকলস ইউনিয়নের কাজাকাবাদ গ্রামের মৃত আজিজুর রব্বানী খান (গেদা)’র পুত্র রেজুয়ান খান’র কাছ থেকে তিনি ১৫ হাজার টাকায় ওই গাছগুলো কাঁটার ঠিকা নিয়েছেন। রেজুয়ান খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি শামীম আহমদ’র কথা বলেন।
গাছ কাঁটার বিষয়টি স্বীকার করে শামীম আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী পাঠাগার ও সমাজ কল্যান পরিষদ নামে তাদের একটি সংগঠন রয়েছে। ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে গত ২০০০সালে দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি চুক্তি পত্রের মাধ্যমে ওই সড়কের পাশে তারা গাছের চারা রোপন করেন। তাই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়েই তারা গাছগুলো কেঁটেছেন বলে দাবি করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আসাদুল হক বলেন, তিনি খবর পাওয়ার পর সেখানে লোক পাঠিয়েছেন। তারা গাছের কিছু অংশ স্থানীয় রুনু কান্ত দে নামের একজনের জিম্মায় রেখে এসেছেন। গাছ কাঁটার ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


