বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরে কোন চাঁদাবাজি চলবে না —-হুমায়ুন কবির
প্রকাশিত হয়েছে : ১৩ মার্চ ২০২৬ ইং, ৭:৪১ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৫ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্ঠা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুম কবির বলেছেন, বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরে কোন চাঁদাবাজি চলবে না। বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর আমার কাছে কোন পার্থক্য নেই। ওসমানীনগরে একটি স্কুল হলে বিশ্বনাথে হবে ৩টি। রাস্তা ওসমানীনগরে ২টি হলে বিশ্বনাথে হবে ৩টি। আজ ইলিয়াস আলী ও সুহেল আহমদ চৌধুরী নেই মনে করবেন না আপনারা এতিম হয়ে গেছেন। এখানে আমি আছি। আপনারা আমার সাথে থাকলে আমারও কোনো ভয় নাই।
তিনি আরোও বলেন, বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের কাঙ্খিত উন্নয়নের জন্য দল-মত নির্বিশেষে রাজনীতিতে ভালো মানুষের সমাগম ঘটাতে হবে। এখন ভালো মানুষের রাজনীতি করার সময়। আপনারা মনে রাখবেন বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরে কোন চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীর জায়গা নেই, এখানে কোন চুর-ডাকাতের জায়গা নেই। বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর হলো ভালো মানুষের এলাকা। তাই প্রশাসনের যারাই আছেন, এলাকার মানুষ যাতে অযথা হয়রাণীর শিকার না হন সেজন্য আপনারা ‘সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার’ সাথে নিজেদের কাজ করে যান। কোন কাজে আমার সহযোগীতা লাগলে, বলবেন। মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য আপনাদেরকে সার্বিক সহযোগীতা করতে আমি সর্বদা প্রস্তুত আছি।
তিনি (১৩ মার্চ) শুক্রবার বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক দুই বারের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় তাঁর পরিবারের উদ্যোগে আয়োজিত পূর্ব কারিকোনা ফুটবল মাঠে ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির তিনি আরও বলেন, বিশ্বনাথের যে কোন উন্নয়নের কথা বলবেন, সেখানে আমাকে পাবেন। আপনাদের দাবি পূরণ করা চেষ্ঠা করব। সুহেল চৌধুরী এমন এক মানুষ ছিলেন, বিশ্বনাথের আকাশ-বাতাসের সাথে ছিল তাঁর সম্পর্ক। তিনি মানুষের অধিকার নিয়েই ছিল তাঁর চিন্তা-ভাবনা। দলমত নির্বিশেষে ছিল তাঁর (সুহেল চৌধুরী) ভাল ব্যবহার। প্রশাসনের সঙ্গে ছিল তাঁর সুসর্ম্পক। এমন মানুষ আমি কখনই দেখিনি, আমার রাজনৈতিক জীবনে। তাঁর জানাযায় এসে বুঝলাম সব গুণের মধ্যে যে ছিলেন তাকে আর পাব না।
লামাকাজি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়ার সভাপতিত্বে ও অলংকারি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট ৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী, ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদেও সাবেক চেয়ারম্যান আবদাল মিয়া, বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের আমির নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়ের, যুক্তরাজ্যে থেকে ফোনে যুক্ত হন মরহুমের ছোট ভাই সুমন পারভেজ চৌধুরী। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ফয়জুর রহমান।
এসময় এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে কুলসুম রুবি, পৌর প্রশাসক লুৎফুর রহমান, ওসমানীনগর সার্কেল মানসুরা বেগম, বিশ্বনাথ থানার ওসি মাহবুবুর রহমান, ওসমানীনগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এমরান রব্বানী, বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্বাস আলী, এলাকার মুরব্বী গোলাপ খান, বিশ্বনাথ সদর ইউপি চেয়ারম্যান তালুকদার দযাল উদ্দিন, দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদিন, খছরুজামান খছরু, ব্রিটেনের কাউন্সিলর নেছার আলী, জেলা খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবদুল ওয়াদুদ, পূর্ব কারাকোনা গ্রামের মোতাওয়াল্লি সিরাজ আলী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী এম এ মল্লিক, জামাল উদ্দিন, মরহুম সুহেল আহমদ চৌধুরীর বড় ভাই যুক্তরাজ্য প্রবাসী মুক্তার আহমদ চৌধুরীসহ জেলা উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ।


