সিলেট সাকির্ট হাউসে সংঘর্ষ: এমপি এহিয়া’র দুই ভাইসহ আসামী ৪০
প্রকাশিত হয়েছে : ০৯ জুলাই ২০১৫ ইং, ৭:২৯ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১৪৫৭ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স:: সিলেট সার্কিট হাউসে জাতীয় পার্টির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সার্কিট হাউজের নাজির মো. ফজলুল হক বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া’র দুই ভাইকে আসামী করা হয়েছে।আসামীরা হচ্ছেন মোগলাবাজার থানার চরমোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ফয়জুর রহমান (৩০), সিলেট নগরীর সুবিদবাজার নূরানী ১২৮ নং বাসার বাসিন্দা হাসান আহমদের ছেলে মো. মেহেদী (২৩), জকিগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আয়েছ আলীর ছেলে মো. রায়হান (২০), বিয়ানীবাজার উপজেলার গঙ্গাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা আজাদ উদ্দিনের ছেলে জায়েদ আহমদ (২৪), গোয়াইনঘাট উপজেলার বিন্নাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালিকের ছেলে নাছির উদ্দিন (২১), মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত মঈন আলীর ছেলে মো. বিল্লাল আহমদ (৩৫), বিয়ানীবাজার উপজেলার জনতুপ কমলাবাড়ির বাসিন্দা রাশেদ আলীর ছেলে জয়নাল হোসেন (৩২), একই উপজেলার নয়াগ্রামের বাসিন্দা মৃত তোফাজ্জল আলীর ছেলে সামছুদ্দিন রানা (৫৫)।
এদেরকে গতরাতেই আটক করা হয়েছিল। তাদেরকে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
বাকি আসামীরা হলেন- নগরীর ঝেরঝেরীপাড়া এভারগ্রীন ২০ নং বাসার বাসিন্দা আব্দুল হাই’র ছেলে সোহলে আল রাজী (২৮) ও সালমান চৌধুরী সাম্মী (২৫), গোয়াইনঘাট উপজেলার মিত্রিমহল গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে হেলাল (৩০), ওসমানীনগর ছাত্র সমাজের আহবায়ক জাবের আহমদ চৌধুরী (২৫) ও ওসমানীনগর উপজেলা যুবসংহিতর আহবায়ক আশিক মিয়া (৩৩)। এছাড়াও আরো ২৫ থেকে ৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালী থানা মামলা নং ১০।
সোহেল আল রাজী ও সালমান চৌধুরী সাম্মী এমপি এহিয়ার ছোট ভাই।
সংঘর্ষের সময় সিলেট সার্কিট হাউজ ভাঙচুর করে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার রাতে সিলেট সার্কিট হাউজে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুলাহ সিদ্দিকী ও যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া গ্র“পের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে গুলাগুলির ঘটনাও ঘটে। সংঘর্ষকালে সার্কিট হাউসে তান্ডব চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছিল।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফায়েজ আহমদ জানিয়েছেন, আটককৃতদের মধ্য থেকে ৮জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিরা পথচারী হওয়াতে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও মামলার বাকি আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যহত রয়েছে।


