বিশ্বনাথে একটি ব্রিজ বদলে দিতে পারে হাজার মানুষের ভাগ্য
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ আগস্ট ২০১৫ ইং, ১২:৫১ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১৪৩৫ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: দাদারে, ওনো (এখানে) একটা পুল (ব্রিজ) না থাকায় হামরা কত কষ্টর মাঝে আছি। একটা পুলর লাগি (ব্রিজের জন্য) কত নেতার গালায় গালায় (দ্বারে দ্বারে) ঘুরেছি, কত আন্দোলন করেছি। ভোটের (নির্বাচনের) সময় এলে সব এমপি প্রার্থীরা আসেন, পুল বানাইয়া (ব্রিজ নির্মাণ করার) দেয়ার আশা (আশ্বাস) দেইন, কিন্তু এমপি আইগেলেও (নির্বাচিত হওয়ার পর) কেউ আর কথাগুলা মনে রাখইন না, আমাদের এ দুঃখর কথা তুমি সারা দেশবাসীর সামনে তুলে ধর”।
এমন আবেগের কথাগুলে ডেইলি বিশ্বনাথ ডটকম এর এ প্রতিবেদককে উপরোক্ত কথাগুলো বললেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের ছালিয়া দশঘর গ্রামের সদ্য দেশে আসা যুক্তরাজ্য প্রবাসী কবির উদ্দিন। এ দুঃখ শুধু প্রবাসী কবির মিয়ার নয় এ দুঃখ বিশ্বনাথ দশঘর ইউনিয়ন,পাশ্ববর্তি জগন্নাথপুর ও ছাতক উপজেলার হাজার হাজার মানুষের।
জানাগেছে, স্বাধীনতার ৪৩ বছরেও কাংখিত উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি বিশ্বনাথ.জগন্নাথপুর,ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তি এলাকায়। যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় ওই তিন উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের অনেক গ্রামের মানুষের মৌলিক চাহিদা, পশ্চাদপদতা, দারিদ্রতা তাদের পিছু ছাড়ছে না। এলাকাবাসী বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের ছালিয়া গ্রামের চরচন্ডী নদীর পাশে কবরখালী নদীর ওপর চলাচলের জন্য তৈরি করেছেন একটি বাঁশের সাঁকো ব্রীজ। এই ব্রীজ দিয়ে প্রতিদিন তিন উপজেলার শতশত মানুষ চলাচল করে আসছে।
বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়ন, জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়ন ও ছাতক উপজেলার ছৈলা আফজালাদ ইউনিয়নের প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষ ওই সাকো ব্রীজ দিয়ে যাতায়াত করে আসছেন। বর্ষাকালে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের পুহাতে হয় দূর্ভোগ।
এলাকাবাসী জানান, দেশ স্বাধীনের পর থেকে ওই তিন উপজেলার সীমান্তবর্তি এলাকায় তেমন কোনো উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। ভোটের সময় জনপ্রতিনিধিরা শত ওয়াদা দিলেও তা বাস্তবে মিলছে না। বিশ্বনাথের চরচন্ডী নদীর পাশে কবরখালীর ওপর একটি ব্রীজ নির্মাণ করার জন্য সরকারের প্রতি জোরদাবী জানান তারা।


