বিশ্বনাথে এমপি এহিয়ার সংবর্ধনার মঞ্চ ভাংচুর (আপডেট)
প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ আগস্ট ২০১৫ ইং, ৯:১৮ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১৮৯৩ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: বিশ্বনাথে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়ার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চ ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার বেলা আড়াইটায় উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের ময়নাগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এসময় মঞ্চ ভাংচুরকারীদের হামলায় আহত হয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সভাপতি ছমির মিয়া। এঘটনায় দিনভর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।
জানা গেছে, গত সোমবার বিকেলে দশঘর ইউনিয়নের কাসিমপুর গ্রামে বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী। বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন সাংসদ ইয়াহইয়া চৌধুরী উদ্বোধন করতে না পারায় স্থানীয় জাতীয় পার্টি নেতাকর্মীদের মনে বিরাজ করে ক্ষোভ। তাই এলাকায় বিদ্যুায়নে অবদান রাখায় সাংসদ ইয়াহইয়া চৌধুরীর সম্মানে কাশিমপুর-ময়নাগঞ্জ এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজন করা হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। বুধবার সকালে স্থানীয় ময়নাগঞ্জ বাজারে তৈরী করা হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চ। বিকেল ৩টায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্ত বেলা আড়াইটায় হঠাৎ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠান স্থলে হামলা চালিয়ে মঞ্চ ও চেয়ার ভাংচুর করে। এসময় আহত হন স্থানীয় ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সভাপতি। এঘটনার পর থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এলাকায় মহড়া দিতে থাকে। অপর দিকে বেলা ২টায় এমপি এহিয়া দশঘর ইউনিয়নের মাছুখালী বাজারে দশঘর এনইউ উচ্চ বিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় তিনি মোটরসাইকেল শো-ডাউনসহ গাড়ী বহর নিয়ে মাছুখালী বাজার থেকে হাবড়া বাজার হয়ে ময়নাগঞ্জ বাজারে পৌছেন। সেখানে তিনি ভাংচুরকৃত মঞ্চ পরিদর্শন করেন এবং পথ সভায় বক্তব্য রাখেন।
এব্যাপারে আহত ওয়ার্ড জাতীয় পার্টি সভাপতি ছমির মিয়া বলেন, এমপি (এহিয়া) সাহেবের সম্মানে আমরা আজ (বুধবার) সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। হঠাৎ করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন ও সাধারন সম্পাদক ইলিয়াস মিয়ার নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী হামলা চালায় আমাদের সংবর্ধনা অনুষ্টান স্থলে। এসময় আমি মঞ্চে একা বসা ছিলাম। হামলাকারীরা মঞ্চ ও চেয়ার ভাংচুর করে পালিয়ে যায়। তাদের হামলায় আমি আহত হয়েছি।
দশঘর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার বলেন, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা মঞ্চ ভাংচুর ও লুটপাঠ করার প্রশ্নই আসেনা। আওয়ামী লীগ নেতাদের মন মানসিকতা ছোট নয়, বড় আছে। সংসদ সদস্য জনবিরোধী কাজের জন্য জনরোষের স্বীকার হয়েছেন বলে জানাযায় বলে তিনি জানান।


