বিশ্বনাথে ঘন্টায় চারবার বিদ্যুৎ আসে আর যায়
প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ এপ্রিল ২০২৪ ইং, ৭:২০ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ২০৩ বার পঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের বিশ্বনাথে ঘন্টায় চারবার বিদ্যুৎ আসে আর যায়। গত এক সপ্তাহ ধরে এভাবে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার ফলে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে উপজেলাবাসীর জনজীবন। স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ায়ও ঘটছে বিঘ্ন। ব্যবসা বাণিজ্যে দেখা দিয়েছে মন্দাভাব। বিদ্যুৎ নিয়ে এলাকারবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানাগেছে। আর এই রমজান মাসে অনেক এলাকায় সাহরি ও ইফতারের সময়ও বিদ্যুৎ থাকে না।বিশ্বনাথ প্রবাসী অধ্যুষিত উপজেলা হওয়াতে প্রতি বছর দেশে বেড়াতে আসেন বিপুল সংখ্যক প্রবাসীরা। কিন্তু বিদ্যুতের এহেন যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে যাওয়ার সময় প্রায় বেশির ভাগ প্রবাসীই বলতে বাধ্য হন “আর দেশে না আসার কথা”। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদেরকে নিয়েই বেশি সমস্যায় পড়তে হয় প্রবাসীদেরকে। অনেকের আবার বাসা-বাড়িতে নামী-দামী ফ্রিজ-টিভি ও কম্পিউটার রয়েছে।কিন্তু এভাবে গণগণ বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার ফলে এগুলো নষ্ট হওয়ার আশংকায় ভুগছেন তারা। গত রবিবার রাতে কাল বৈশাখী ঝড়ের ফলে উপজেলা প্রায় ১০ ঘন্টা ছিল বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। গরম আসতে না আসতেই বিদ্যুতের ভেলকিভাজি শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এলাকার অনেকে। বিদ্যুতের জন্য মারাত্বক সমস্যায় পড়তে হয় এ উপজেলায় কর্তব্যরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্টনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদেরকেও। উপজেলার রামপাশা বাজারের রিপন মিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় ১ ঘন্টা বিদ্যুৎ দিলে তার পরবর্তী ৩ ঘন্টা আর নেই। বিশ্বনাথ বাজারের ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া বলেন, উপজেলা সদরের ঘন্টায় চার-পাঁচ বিদ্যুৎ আসে আর যায়। এতে ব্যবসা বানিজ্য ঠিক মত করতে পারছি না। পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের এটা কোনো ধরনের আচরন বুঝতে পারিনা। বিশ্বনাথ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম সাইফুল ইসলাম বলেন,বিশ্বনাথে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৬ মেঘাওয়াট। এর মধ্যে আমরা পাই ৭ মেঘাওয়াট। যার কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং তো থাকবেই। দেশের সরকার যদি বিদ্যুৎ উৎপাদন না বাড়ায় তাহলে বিদ্যুতের লোডশেডিং কমবে কিকরে।


