সিলেট-২ আসনের আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর কোন বিকল্প নেই
প্রকাশিত হয়েছে : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ইং, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১৮৬৪ বার পঠিত
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, গণপরিষদের সাবেক সদস্য, সিলেট জেলা আওয়ামীরীগের সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমান বলেছেন, সিলেট- ২ আসন বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ ও ওসমানী নগরে সংগঠনকে শক্তিশালী ও জনগনের সার্বিক কল্যাণে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর কোন বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছানুসারে দল চলবে, অন্য কারো ইচ্ছায় নয়। তাই মধ্যেখানে কেউ কোন ক্ষমতা দেখিয়ে লাভ নেই। বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন, নির্যাতন ও বিভিন্নভাবে হয়রানির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আনোরুজ্জামানের নেতৃত্বে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়াম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মুহিবুর রহমানের ভূয়শী প্রশংসা করে তৃনমূলে দলকে শক্তি শালী করতে সক্রিয় হওয়ার জন্য মুহিবুর রহমানের প্রতি অনুরুধ জানান।
রবিবার দুপুর ১২ ঘটিকায় মুহিবুর রহমান আনোরুজ্জামান চৌধুরী যুক্তরাজ্য থেকে এক সাথে দেশে ফেরায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে রশিদপুর পয়েন্টে বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে তাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এই সংবর্ধনা অনুষ্টানে লুৎফুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।
দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা মো: ফখরুল আহমদ মতছিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: ছয়ফুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জুবেদুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: আছলম খান, ওসমানী নগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দাল মিয়া, ফারুক আহমদ, শেখ শহীদুল ইসলাম, শেখ বাবরুছ আলী, সমর কুমার দাশ, বশারত আলী বাছা, শেখ নুর মিয়া, বশির আহমদ, আব্দুল মতিন, আমরুজ আলী, লিলু মিয়া, জেলা যুবলীগের সভাপতি শামিম আহমদ, ওসমানী নগর যুবলীগের সভাপতি আনা মিয়া সাধারণ সম্পাদক আলতাফুর রহমান সুহেল।
বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম ফিরোজ আলী ও কেন্দীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সিতার মিয়ার পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবলীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাবেক ছাত্র নেতা মুবাশ্বির আলী, জেলা যুবলীগ নেতা মাসুদ আহমদ, আব্দুল মতিন, সবজুল আলী, আনা মিয়া, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলীম তুষার, আলী হুসেন রুহেল, ফজলু মিয়া, আমীর আলী, শাহ আলম খোকন, সুহেল আহমদ, জায়েদুর রহমান, লিয়াকত আলী, মাষ্টার হানিফ আলী, শাহ আজমল হুসেন রাজন, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল করিম, শাহিন আহমদ ছুনু, সমিত্র ধর, পারর্থসারতি দাস পাপ্পু, মাজহারুল ইসলাম, এমরানুর রহমান, রাজা মিয়া, রঞ্জিত মালাকার ফাহিম আহমদ ইলিয়াছ আলী প্রমুখ।
সংবর্ধিত অতিথি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, এ কতা স্বীকৃত ও প্রতিষ্টিত যে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্থবায়ন ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মত ব্যক্তিগত জীবনের ঝুকি নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করায় বিশ্বে প্রসংশিত হয়েছেন। জামাত বিএনপির জ্বালাওপুড়াও আন্দোলন সত্ত্বেও দেশে অর্থনীতির উন্নয়ন অগ্রসর হয়ে মধ্যআয়ের দেশে পরিণত হচ্ছে। সেই উন্নয়নের ছোয়া এ অঞ্চলে লাগাতে চাই।
তিনি বলেন, এই অঞ্চলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাঠামো দুর্বল করে কেউ কেউ ব্যক্তিগত ফাঁয়দা হাসিলের চেষ্টা করছেন। এটা কোনো মতেই প্রত্যাশিত নয়। আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনা যদি আমাকে সিলেট ২ আসনের মনোনয়ন প্রদান করেন, তাহলে আমি সর্বাত্তক প্রচেষ্টা করে এই অঞ্চলের মানুষের আশা আকাঙ্খা পুরনে বদ্ধ পরিকর। তিনি বলেন, বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ ও ওসমানী নগরের বিদ্যুৎ উন্নয়ন অবকাঠামো উন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, হাইব্রিড নেতাদের কারনে সংগঠনের ত্যাগি ও আদর্শবান নেতাকর্মীরা আজ অবহেলিত ও আত্যাচারিত হচ্ছে। আমরা এই অবস্থা কোনো ক্রমেই মেনে নিতে পারিনা। তাই দলকে সুবিধাভোগী দালাল মুক্ত করে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
বিশ্বনাথ উপজেলার পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান বলেন, আনোয়ারুজ্জামান অপশক্তি ও সুবিধা ভোগী দালালদের হাত থেকে আওয়ামী লীগকে উদ্ধারের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, তার সাথে আমরা একমত হয়ে সিলেট ২ আসন শেখ হাসিনাকে উপহার দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করি। তিনি আরো বলেন, জীবনে আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই, সারা জীবন নির্যাতিত ও বঞ্চিতদের পক্ষে কাজ করছি। বাকী জীবন এ পথে অতিবাহিত করতে চাই। আমরা সকলে মিলে আনোয়ারুজ্জামন চৌধুরীর হাতকে শক্তিশালী করে সুবিধাভোগীদের বিতাড়িত করতে প্রস্তুত। এসময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা মুহমুহ করতালি দিয়ে সকলের বক্তব্য সমর্থন করেন। নিরাত্তার সুবিধার্থে বিমানবন্দরে উপস্থিত না হয়ে আওয়ামী লীগের এই দুই শীর্ষ নেতাকে রশিদপুরে সংবর্ধনা করা হয়। পরে আনোয়ারুজ্জামন চৌধুরী গাড়ীর বহর নিয়ে বিশ্বনাথ মুহিবুর রহমানের বাস বভনে যান। বিজ্ঞপ্তি


