শীতের আমেজে বিশ্বনাথে এডুকেয়ারের কোচিং সেন্টারে পিঠা উৎসব
প্রকাশিত হয়েছে : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ইং, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ | সংবাদটি ৪৫ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: প্রতিবছরের ন্যায় শীতের আমেজে সিলেটের বিশ্বনাথে উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো এডুকেয়ারের পিঠা উৎসব ও পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) এডুকেয়ার ক্যাম্পাসে দুপুরে এ পিঠা উৎসব অনুষ্ঠান শুরু হয়ে বিকেলে শেষ হয়। বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সুহেল আহমদ চৌধুরী ফিতা কেটে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন। ৭টি স্টলে বিভিন্ন রকমের পিঠার সমাহার ছিল চোখে পড়ার মত। বাহারি পিঠার আয়োজন ও দর্শনার্থীদের ভিড়ে এডুকেয়ার ক্যাম্পাস এক মিলন মেলায় পরিণত হয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সাড়ে ৪শত বর্তমান ও সাবেক ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের উপস্থিতি ও পদচারণায় জমে উঠে এ উৎসব। পরে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এডুকেয়ার কোচিং সেন্টারের সিইও শামস আল শাওনের সভাপতিত্বে এবং এডুকেয়ার কোচিং সেন্টারের পরিচালক নাহিদ আহমদ শুয়েব ও সহকারি শিক্ষক আল তাহমিদেও যৌথ পরিচালনায় বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়ের, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বেগ, ডাঃ মাহমুদুল আমীন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্বনাথ সরকারি কলেজের প্রভাষক ও কোচিং সেন্টারের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক আফসার আহমদ, সহকারি শিক্ষক জাহিদুর রহমান নাবিল, বাপ্পি মালাকার, অমিত পাল, শুভ দেব, আলেক আহমেদ, সহকারি শিক্ষিকা ফাতেমা বেগম, আবিদা সুলতানা, রিপা বেগম। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
পিঠা উৎসবে অংশগ্রহন করা স্টীলগুলো হলো-পিঠার আলাপ, বাঙ্গালিয়ানা, জলদি আও পিঠা খাও, রসনা বিলাস, নবান্নের ঘ্রাণ, চা বাজার, গ্রামকন্যা পিঠা ঘর। ৭টি স্টলের মধ্য থেকে তাদের পিঠা ও পরিবেশনার উপর ভিত্তি করে সেরা ৩টি স্টল বাঁচাই করেন অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথিবৃন্দরা। উৎসবে অংশ গ্রহনকারী ১ম স্টল নির্বাচিত “গ্রাম কন্যা পিঠা ঘর” ২য় স্টল নির্বাচিত “নবান্নের ঘ্রান” ৩য় স্টল নির্বাচিত “রসনা বিলাস”। এডুকেয়ার কোচিং সেন্টারের পক্ষ থেকে সেরা স্টলগুলোকে পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
পিঠা উৎসবে দেখতে এসে যুক্তরাজ্য প্রবাসী পারভীন আক্তার নামে এক অভিভাবক বলেন, খুব সুন্দর পরিবেশ, বিশ্বনাথ উপজেলার মধ্যে এমন পিঠা উৎসবের আয়োজন বেশ ভালো লেগেছে। পরিবারের সবাইকে নিয়ে এই পিঠা উৎসবে আসতে পেরে আনন্দিত। অনেক ধরণের পিঠা কিনেছি ও খেয়েছি। বেশির ভাগ পিঠা ছিল আমার কাছে অচেনা। আমার মনে হয় এই ধরণের পিঠা উৎসব প্রতি বছরই করা উচিত। নারীর টানে যারা প্রবাস থেকে শীত মৌসমে দেশ আসবেন তারা যেন পিঠা উৎসবে অংশগ্রহন করার আহবান জানান।


