বিশ্বনাথে চুরির ভয়ে দোকান ঘরে ১২০টি তালা!
প্রকাশিত হয়েছে : ০২ জুলাই ২০১৫ ইং, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ | সংবাদটি ১৫৬২ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা :: বিশ্বনাথে উপজেলা সদরের আল-হেরা শপিং সিটির নিচ তলায় অবস্থিত ‘নিউ হ্যাপী জুয়েলার্স’ নামের একটি স্বর্ণের দোকানে প্রতিদিন ঝুঁলে ১২০টি তালা। চুর-ডাকাতদের ভয়ে আতংকিত হয়ে এই দোকানে প্রতিদিন এসব তালা ঝুলানো হয়। উপজেলা সদরের সবচেয়ে বড় মার্কেটের একটি দোকানে এভাবে তালা ঝুঁলানোর কারণে বিষয়টি নিয়ে ব্যবসায়ী ও প্রত্যেক্ষদর্শীদের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।এদিকে, বিশ্বনাথে দোকান ঘরে ১২০ তালা মেরে রাখার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করলে ওই দোকান মালিক।
জানা গেছে, উপজেলা সদরের পুরান বাজারস্থ আল-হেরা শপিং সিটির নিচ তলায় ১৫৮ নম্বার দোকান ‘নিউ হ্যাপী জুয়েলার্স’। মার্কেটে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও ইতিমধ্যে এই জুয়েলারী দোকানে তিন বার চুরি সংগঠিত হয়েছে। এতে দোকান মালিক আতংকে ও চুরির ভয়ে তিনি প্রতিদিন দোকান বন্ধ করে ১২০টি তালা ঝুঁলিয়ে বাড়িতে যান।
সরেজমিনে দেখা যায়, ২টি সার্টারের এই স্বর্ণের দোকানে নিরাপত্তার জন্য রয়েছে ২টি কেসি গেইট ও ২টি সার্টার।
মার্কেটের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, দোকানের ভিতরের কেসি গেইটে ৫০টি তালা, এরপর মধ্যখানের ২টি সার্টারে আরো ২০টি তালা এবং বাহিরের কেসি গেইটে ৫০টি তালাসহ মোট ১২০টি তালা ঝুঁলানো হয়। প্রতিটি তালায় দেওয়া রয়েছে নাম্বার। এসব তালা লাগাতে ও খুলতে কর্মচারীদের প্রায় ঘন্টাখানেক করে সময় ব্যয় হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ২টি সার্টারের এই স্বর্ণের দোকানে নিরাপত্তার জন্য রয়েছে ২টি কেসি গেইট ও ২টি সার্টার।
মার্কেটের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, দোকানের ভিতরের কেসি গেইটে ৫০টি তালা, এরপর মধ্যখানের ২টি সার্টারে আরো ২০টি তালা এবং বাহিরের কেসি গেইটে ৫০টি তালাসহ মোট ১২০টি তালা ঝুঁলানো হয়। প্রতিটি তালায় দেওয়া রয়েছে নাম্বার। এসব তালা লাগাতে ও খুলতে কর্মচারীদের প্রায় ঘন্টাখানেক করে সময় ব্যয় হয়।
এব্যাপারে দোকান মালিক মনির হোসেন বলেন, আমার দোকানটি পর পর তিন বার চুরি হয়েছে। মার্কেটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই। তাই দোকানে ২টি কেসি গেইট ও সাটারের জন্য আমি ১০০টি তালার অর্ডার দিয়েছি।


