ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ধ্বংস করা যাবে না— তাহসিনা রুশদীর লুনা
প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ জুলাই ২০১৫ ইং, ১০:২৬ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১৪৫৯ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: ‘নিখোঁজ’ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী ও জেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে ধ্বংস করা যাবে না। তৃণমূল নেতাকর্মীরাই বিএনপির মূলশক্তি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের কারণেই সারা দেশে বিএনপি আজ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। আর পুলিশ ছাড়া সেই শক্তির মোকাবেলা করার ক্ষমতা আওয়ামী লীগের নেই। তাই ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সরকার দেশকে একটি পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তিনি বলেন, সরকার পতনের জন্য আগামী দিনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে সকল আন্দোলন-সংগ্রামের ডাক দিবেন তাতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
তিনি আরো বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মানের প্রতিবাদ, বিরুদী দলে থাকার পর সিলেটে খালেদা জিয়ার মহাসমাবেশে মানুষের ঢল, সরকারের দুর্নীতি-লুটপাঠের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে ইলিয়াস আলীর জনপ্রিয়তায় ঈশ্বার্নিত হয়ে সরকার তাঁকে (ইলিয়াস) গুম নামক কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। তবে তিনি (ইলিয়াস) আবারও আপনাদের মাঝে ফিওে আসবেন এবং আপনাদেরকে নেতৃত্বে দেবেন।
তিনি গতকাল শনিবার সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত ঈদ পূনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথাগুলো বলেন।
লামাকাজী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাষ্টার রইছ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা আজাদুর রহমান আজাদ, রফিকুল ইসলাম ও যুবদল নেতা ওয়াতিউর রহমান আতিকের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি নেতা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী, জেলা বিএনপি নেতা ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ-নূর উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক বশির আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন ধলা মিয়া চেয়ারম্যান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল ইসলাম রুহেল, দেওকলস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাহিদ মিয়া চেয়ারম্যান। বক্তব্য রাখেন লামাকাজী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আব্দুর রহমান আছকির, ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহবায়ক আলী হোসেন। সভার শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন ছাত্রদল নেতা ক্বারী এমরান আহমদ।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি রজব আলী, বিএনপি নেতা আরব খান, শামছুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন মেম্বার, হাজী আকরম আলী, নানু মিয়া, কাছা মিয়া মেম্বার, আশিকুর রহমান চৌধুরী, শান্তি মিয়া, রফিক মিয়া মেম্বার, জুনায়েদ আহমদ, রফিক আহমদ, হাজী শফিকুর রহমান, নূর ইসলাম, নূর মিয়া, নজরুল হোসেন, সিরাজ উদ্দিন, শামছু মিয়া, কবির আহমদ, আবদুস ছালাম, আবদুল গফুর, বাবুল মিয়া, ছমরু মিয়া, মজনু মিয়া, আবদুল মালিক, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সুরমান খান, চন্দন মিয়া, গোবিন্দ মালাকার, যুবদল নেতা সাইম উদ্দিন, ফরিদ আহমদ, শানুর আহমদ, ইসলাম উদ্দিন, আবদুর রব, আব্বাস আলী সুমন, ফরিদ আহমদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাওছার খান, যুগ্ম আহবায়ক আশিকুর রহমান রানা, জুয়াদ মিয়া, তাজ উদ্দিন আহমদ কিনু, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য আলাল আহমদ, ছাত্রদলের আহবায়ক (একাংশ) শাহ আমির উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক শাহ জাহান, সাহেল সামাদ, আবদুস শহিদ, মিছবাহ খান, এনাম আহমদ, মামুন আহমদ, সুনু মিয়া, সদস্য সচিব আজাদুর রহমান আজাদ, ছাত্রদল নেতা সুমন আহমদ,মোহাম্মদ আলী,আমির আলী, আমির উদ্দিন, আলাল মিয়া, খালেদ আহমদ, জিল্লুর রহমান জিলু, শাহ নিজাম উদ্দিন, ইসলাম উদ্দিন, আলী হোসেন, রাহেল আহমদ, পাবলু মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


