শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় শাবির তিন ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার
প্রকাশিত হয়েছে : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ইং, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ | সংবাদটি ১২৬৬ বার পঠিত
নিউজ ডেস্ক:: শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি আবু সাঈদ আকন্দ, অঞ্জন রায় ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম সবুজকে সংগঠনের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ। একই সঙ্গে তাদের কেন ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না তার কারণ জানাতে শোকজ নোটিশও দেয়া হয়েছে।এ তথ্য নিশ্চিত করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, এ তিন জনের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে অভিযোগ এসেছে। তাই তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। শোকজের জবাব এবং অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। শিগগিরই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বৃহত্তর তদন্ত করবে বলে জানান তিনি। তদন্তের স্বার্থেই আপাতত তাদের সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
শাবিপ্রবির ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টির এ তিন ছাত্রলীগ নেতার নামই এসেছে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল ছাত্রলীগ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় ছাত্রলীগকে ‘আগাছা’ উপড়ে ফেলার নির্দেশ দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শাবিপ্রবির ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন। শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, বহিষ্কৃত এ তিন ছাত্রনেতারা দূরে দাঁড়িয়ে থেকে পুরো ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। মূল ঘটনাস্থল থেকে ২৫/৩০ হাত দূরে তারা দাঁড়িয়েছিলেন।
এদিকে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলার প্রতিবাদে গতকাল সোমবার কালো ব্যাজ ধারণ করে কর্মবিরতি পালন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষকরা। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার থেকে আরো ৩ দিনের কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষকরা।
গতকাল সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলা ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদ’ এই কর্মবিরতি পালন করে। তবে চূড়ান্ত পরীক্ষা কর্মবিরতির আওতামুক্ত ছিল। বেলা ১১টার পর টিচার্স ক্যান্টিন থেকে মৌন মিছিল বের করেন হামলার শিকার শিক্ষকরা। মিছিলটি ক্যাম্পাস ঘুরে উপাচার্য ভবনের সামনে শেষ হয়। সেখানে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে সমাবেশ করেন তারা।
সমাবেশে শিক্ষাবিদ ও প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আমাদের শিক্ষকদের ওপর হামলা করতে পারে এ দৃশ্যও আমাকে দেখতে হয়েছে। আমি এখনো তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছি। তিনি আরো বলেন, ছাত্ররা শিক্ষকের গায়ে হাত তুলেছে আর সেই দৃশ্য আমাকে বসে বসে দেখতে হয়েছে, যা আমি কখনো ভুলতে পারব না। শরীরের আঘাতে কিছু যায়-আসে না। তবে মানসিক আঘাত কখনো কোনো দিন ভালো হয় না।
আন্দোলনরত শিক্ষক ফোরামের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. সামছুল আলম বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে ছাত্রলীগ। আর এটি ভিসির নির্দেশেই ঘটেছে। তিনি ভিসির পদত্যাগের আগ পর্যন্ত আন্দোলন চালানোর ঘোষণাও দেন।
পরে বিকেল ৫টা থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনরত শিক্ষকদের এক সভায় আজ মঙ্গলবার থেকে ৩ দিনের কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে প্রফেসর ড. সামছুল আলম মানবকণ্ঠকে বলেন, এই ৩ দিনের কর্মবিরতিতে আমরা কোনো ক্লাসে অংশগ্রহণ করব না। তবে পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলবে। এ ছাড়া মঙ্গল ও বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় কালো ব্যাজ ধারণ ও প্রতিবাদ র্যালি-সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হবে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রতীকী অনশন পালন করা হবে। এই ৩ দিনের মধ্যে ভিসি পদত্যাগ না করলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।
শিক্ষকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দুপুরে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে মানববন্ধন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। তারা হামলায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি ও বিচারের দাবি জানান।
এদিকে গত রোববার শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফিজিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাবিনা ইসলামকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন প্রক্টর প্রফেসর ড. কামরুজ্জামান ও সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আমিনা পারভীন। তদন্ত কমিটিকে দ্রুত রিপোর্ট দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
শিক্ষকদের ওপর হামলার ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, হামলা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতেই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত বলা যাবে।
এদিকে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলার প্রতিবাদে গতকাল সোমবার কালো ব্যাজ ধারণ করে কর্মবিরতি পালন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষকরা। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার থেকে আরো ৩ দিনের কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষকরা।
গতকাল সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলা ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদ’ এই কর্মবিরতি পালন করে। তবে চূড়ান্ত পরীক্ষা কর্মবিরতির আওতামুক্ত ছিল। বেলা ১১টার পর টিচার্স ক্যান্টিন থেকে মৌন মিছিল বের করেন হামলার শিকার শিক্ষকরা। মিছিলটি ক্যাম্পাস ঘুরে উপাচার্য ভবনের সামনে শেষ হয়। সেখানে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে সমাবেশ করেন তারা।
সমাবেশে শিক্ষাবিদ ও প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আমাদের শিক্ষকদের ওপর হামলা করতে পারে এ দৃশ্যও আমাকে দেখতে হয়েছে। আমি এখনো তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছি। তিনি আরো বলেন, ছাত্ররা শিক্ষকের গায়ে হাত তুলেছে আর সেই দৃশ্য আমাকে বসে বসে দেখতে হয়েছে, যা আমি কখনো ভুলতে পারব না। শরীরের আঘাতে কিছু যায়-আসে না। তবে মানসিক আঘাত কখনো কোনো দিন ভালো হয় না।
আন্দোলনরত শিক্ষক ফোরামের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. সামছুল আলম বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে ছাত্রলীগ। আর এটি ভিসির নির্দেশেই ঘটেছে। তিনি ভিসির পদত্যাগের আগ পর্যন্ত আন্দোলন চালানোর ঘোষণাও দেন।
পরে বিকেল ৫টা থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনরত শিক্ষকদের এক সভায় আজ মঙ্গলবার থেকে ৩ দিনের কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে প্রফেসর ড. সামছুল আলম মানবকণ্ঠকে বলেন, এই ৩ দিনের কর্মবিরতিতে আমরা কোনো ক্লাসে অংশগ্রহণ করব না। তবে পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলবে। এ ছাড়া মঙ্গল ও বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় কালো ব্যাজ ধারণ ও প্রতিবাদ র্যালি-সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হবে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রতীকী অনশন পালন করা হবে। এই ৩ দিনের মধ্যে ভিসি পদত্যাগ না করলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।
শিক্ষকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দুপুরে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে মানববন্ধন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। তারা হামলায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি ও বিচারের দাবি জানান।
এদিকে গত রোববার শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফিজিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাবিনা ইসলামকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন প্রক্টর প্রফেসর ড. কামরুজ্জামান ও সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আমিনা পারভীন। তদন্ত কমিটিকে দ্রুত রিপোর্ট দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
শিক্ষকদের ওপর হামলার ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, হামলা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতেই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত বলা যাবে।


