বিশ্বনাথে বন্যার পানিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ইং, ১২:০৩ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১৩২৮ বার পঠিত
অসিত রঞ্জন দেব ও আবুল কাশেম:: সিলেটের বিশ্বনাথে বন্যার পানিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন উপজেলাবাসী। পাকা ধানসহ বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে রোপা আমনের এক হাজার হেক্টর চাষকৃত জমি। ভেসে গেছে কয়েকশ পুকুর ও মৎস্য খামারের মাছ এবং মাছের পোনা।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক বন্যার পানিতে নিমজ্জিত থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। ঝুঁকির মধ্যে যানবাহন চলাচল করতে মাছ শিকারে ব্যস্থ রয়েছে শিশুরা। বৃদ্ধ ও শিশুদের চলাচলে অবলম্বন করতে হচ্ছে সর্বোচ্চ সর্তকতা। বন্যার পানি উপেক্ষা করে উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে পাঠদান। ‘উপজেলা কৃষি অধিদ গিয়ে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন চালকরা। সব চেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
উপজেলার অনেক স্থানে পানিতে নিমজ্জিত থাকা সড়কে প্তর ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর’ এর কার্যক্রমও চলছে বন্যা ও জলাবদ্ধতার পানি উপেক্ষা করে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলীনূর রহমান বলেন, উপজেলায় আবাদকৃত রোপা আমনের প্রায় ১০ হাজার ৯২০ হেক্টর জমির মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২২০ হেক্টর জমি এবং ৮২৫ হেক্টর বীজতলার মধ্যে ৫ হেক্টর জমি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নির্মল চন্দ্র বণিক বলেন, উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক পুকুর ও মৎস্য খামার থেকে ছোট-বড় মাছ ও মাছের পোনা ভেসে যাওয়ার ফলে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হযেছে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা চিন্তহরণ দাশ বলেন, অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ও সড়ক পানিতে নিমজ্জিত থাকলেও পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আসাদুল হক বলেন, বন্যার পানিতে বাড়ি-ঘরের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি না হলেও মৎস্য ও কৃষিখ্যাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, উপজেলার আটটি ইউনিয়ন পরিদর্শন করেছেন। তবে ব্যাপক রাস্তা-ঘাটের ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী বন্যা কবলিত কয়েকটি গ্রাম পরিদর্শন করেছেন বলে জানিয়েছেন।


