বিশ্বনাথে দূর্গাপুজাকে সামনে রেখে চলছে প্রতিমা তৈরির ধুম
প্রকাশিত হয়েছে : ০৪ অক্টোবর ২০১৫ ইং, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৮৯৮ বার পঠিত
মোহাম্মদ আলী শিপন:: হিন্দু ধর্মের সব চেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা। পূজার আর মাত্র কিছু দিন বাকি থাকলে উপজেলায় র্দূগা পূজার ব্যাপক প্রস্ততি চলছে। শেষ মূর্হুতে প্রতিটি পাড়া-মহলায় চলছে প্রতিমা তৈরির ধুম। দিন-রাত সমান তালে করে প্রতিমা তৈরি করে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পিরা। এখন শুধু বাকি রয়েছে প্রতিমায় রং তুলির কাজ। আগামী ৫/৬ দিনের মধ্যে রং তুলির কাজ শুরু হবে বলে প্রতিমা শিল্পীরা জানান। পূজা আসলেই প্রতিমা তৈরি শিল্পীদের কদর। পূজা চলে গেলে তাদের কদর কমে যায়। এদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তণ হয় না। পায় না কোন সরকারি সাহায্য সহযোগীতা।রোববার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,বিভিন্ন মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ। অনেক প্রতিমা শিল্পীরা বাড়িতে চলে গেছেন। প্রতিমা শিল্পীরা রং তুলির কাজ করছেন। উপজেলার আট ইউনিয়নে গত বছরে ২০টি পূজা মন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্টিত হয়। এবছরে ২৪টি পূজা মন্ডপে পূজা অনুষ্টিত হবে বলে জানাগেছে।
এদিকে, উপজেলায় প্রায় ১১টি মন্ডপ ঝুকিপূর্ণ বলে জানাগেছে। গত বছরেও এসব মন্ডপগুলো ঝুবিপূর্ণ ছিল। তবে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এবছরও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা পালন হবে বলে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান।
প্রতিমা তৈরি শিল্পিরা জানান, এসব পূজা মন্ডপে প্রতিমা সরবারহ করতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। তাই খাওয়া-দাওয়া শেষে আরাম করার সময়টুকুও তাদের নেই।
তারা জানান, বাঁশ ও খড় দিয়ে প্রতিমা অবকাঠামো তৈরির পর মাটি দিয়ে প্রলেপ দিচ্ছেন শিল্পিরা। বছরের এই সময়টা ব্যস্ততায় কাটলেও অন্য সময় তাদের হাতে থাকেনা কাজ। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম করেও তাদের কাটাতে হয় মানববেতর জীবন। তাই অনেকেই বাধ্য হয়ে বাপ-দাদার এই পেশা টিকে রেখেছেন কোন রকমে। কেহ কেহ এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে।
তারা জানান, বাঁশ ও খড় দিয়ে প্রতিমা অবকাঠামো তৈরির পর মাটি দিয়ে প্রলেপ দিচ্ছেন শিল্পিরা। বছরের এই সময়টা ব্যস্ততায় কাটলেও অন্য সময় তাদের হাতে থাকেনা কাজ। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম করেও তাদের কাটাতে হয় মানববেতর জীবন। তাই অনেকেই বাধ্য হয়ে বাপ-দাদার এই পেশা টিকে রেখেছেন কোন রকমে। কেহ কেহ এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে।
উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত আর্চায্য জানান, এবছরে ব্যক্তিভাবে ৪টি মন্ডপে ও র্স্বাবজনীন ২০টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের পূজা কমিটি দিয়ে এবছরও পরিচালনা করা হবে। শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব পূজা পালন করার জন্য তিনি আহবান জানান।
বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল হোসেন বলেন, উপজেলার পূজা মন্ডপগুলোতে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পূজা মন্ডপগুলোতে যারা বিশৃংঙ্খলা সৃষ্টি করা চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


