অপহরণের ১৪ দিন পর অপহৃত শিক্ষার্থী উদ্ধার, শিক্ষক আটক
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ জুন ২০১৫ ইং, ৯:১৪ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৯৮০ বার পঠিত
শিপন আহমদ,ওসমানীনগর: সিলেটের ওসমানীনগরে অপহরণের ১৪ দিন পর অপহৃত মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আবিদা বেগম (১৫) কে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনার সাথে জড়িত শেরপুর আওরঙ্গপুর আয়েশা সিদ্দিকা (রঃ) মহিলা মাদ্রাসা শিক্ষক হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুকা গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে হাফিজুর রহমান ওরফে মাছুম (৩০) কে আটক করেছে পুলিশ। অপহৃতা শিক্ষার্থী উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউপির মঙ্গলপুর গ্রামের ছুরুক মিয়ার মেয়ে এবং আয়েশা সিদ্দিকা (রঃ) মহিলা মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর ছাত্রী। সোমবার রাতে শেরপুর এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আবিদার পিতা ছুরুক মিয়া বাদী হয়ে মঙ্গলবার ওসমানীনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ১৬। উদ্ধারকৃত আবিদাকে মঙ্গলবার দুপরে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালের ওসিসিতে প্রেরন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৯ জুন সকালে আবিদা বেগম (১৫) মাদ্রাসায় আসার পর মাদ্রাসার অপর শিক্ষাকার সহযোগিতায় শিক্ষক হাফিজুর রহমান ওরফে মাছুম (৩০) বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে অপহরন করে নিয়ে যায়।এ ঘটনায় আবিদার পিতা বাদি হয়ে মাছুমসহ উপজেলার মঙ্গলপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী মাদ্রাসার শিক্ষিকা বিলকিস বেগম (২৫) উল্লেখ করে থানার অভিযোগ করেন। অবশেষে অপহরণের ১৪ দিন পর সোমবার রাতে পুলিশ শেরপুর এলাকার থেকে অপহৃতাকে উদ্ধার করে। তবে একাধিক সূত্রে জানা গেছে দীর্ঘ দিন ধরে মাদ্রাসার শিক্ষক মাছুম ও শিক্ষর্থী আবিদার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। ৯ জুন পালিয়ে গিয়ে আজমীরিগঞ্জের একটি কাজী অফিসে তাদের বিয়ে ও কাবিনামা সম্পন্ন করা হয়। এদিকে প্রেমের কারণে আবিদা মাদ্রাসা শিক্ষকের হাত ধরে পালিয়ে গেলেও আবিদার বয়স কম থাকায় তার পিতা দাবি করেন তার মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। এ কারণে তিনি থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসমানীনগর থানার এসআই আনোয়ার হোসেন মামলা দায়ের এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে মাছুমকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


