নবজাতক শিশুকে হত্যা করে টয়লেটে ফেলে দিয়েছে মা
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ জুন ২০১৫ ইং, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ১১৫৩ বার পঠিত
নিউজ ডেক্স:: হবিগঞ্জের মাধবপুরে নবজাতক শিশুকে হত্যা করে টয়লেটে ফেলে দিয়েছে হামিদা বেগম নামে এক পাষণ্ড মা। এ ঘটনায় জনতা পাষণ্ড ওই মহিলাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মাধবপুর উপজেলার বেঙ্গাডোবা গ্রামে। এ ব্যাপারে হামিদা বেগমের বাড়ির মালিক ওই গ্রামের মৃত আব্দুল হক বুলু মিয়ার স্ত্রী আছমা আক্তার বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে মাধবপুর থানা পুলিশ নবজাতক শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ১৫/১৬ বছর পূর্বে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার উচাইল গ্রামের ইসমাঈল মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের মহর আলীর মেয়ে হামিদা বেগম এর বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। কয়েক বছর পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভেদ দেখা দিলে মেয়েকে নিয়ে হামিদা বেগম মাধবপুরের বেঙ্গাডোবা গ্রামে চলে যান। সেখানে মৃত আব্দুল হক বুলু মিয়ার স্ত্রী আছমা আক্তারের একটি ছোট ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকেন। সেখানে ক্রমেই বেপরোয়া জীবন যাপন শুরু করেন হামিদা। এক পর্যায়ে হামিদা গর্ভবতী হয়ে পড়ে। প্রতিবেশীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে হামিদা উত্তর দিতেন, তার পেটে টিউমার হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে হামিদা একটি শিশু সন্তান প্রসব করেন। আশপাশের লোকজন ঘুম থেকে জেগে উঠার আগেই নবজাতক শিশু সন্তানকে হত্যা করে বাড়ির পাশের টয়লেটের ভিতরে ফেলে দেন হামিদা। বিষয়টি সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজন আঁচ করতে পেরে হামিদাকে আটক করেন। খবর পেয়ে মাধবপুর থানার এসআই মাসুদুজ্জামান নবজাতক শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার ও হামিদা বেগমকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যান।
এ ব্যাপারে এসআই মাসুদুজ্জামান জানান, ময়না তদন্তের জন্য শিশুটির মৃতদেহ শুক্রবার সকালে হবিগঞ্জ জেলা আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক আছমা আক্তার বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।


