জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ সড়কে অবরোধ নিয়ে উত্তেজনা
প্রকাশিত হয়েছে : ১২ আগস্ট ২০১৫ ইং, ৯:০৫ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ২০৬৪ বার পঠিত
ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ,জগন্নাথপুর:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অবরোধ নিয়ে দুই সমিতির শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
জানাগেছে, সরকার সারাদেশে মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করে দেয়া নিয়ে অটোরিকশা শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন। এরই অংশ হিসেবে জগন্নাথপুর অটোরিকশা শ্রমিকরা এলাকায় মাইকিং করে সমবেত হয়ে বুধবার মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। স্থানীয় পৌর পয়েন্টে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে পৌর শহরের ¯¬ুইচগেইট এলাকায় গিয়ে সকাল ৮ টা থেকে বেলা সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে এ লাইনে চলাচলকারী যাত্রীবাহী মিনিবাসসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। অবরোধকারী অটোরিকশা শ্রমিকরা মিনিবাস আটক করা নিয়ে মিনিবাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধকারীদের সরিয়ে দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। পরে বিকেল ৩ টার দিকে জগন্নাথপুর থেকে সুনামগঞ্জ যাওয়ার পথে পৌর শহরের পশ্চিমবাজার নামক স্থানে যাত্রীবাহী মিনিবাসকে আটক করে মিনিবাস চালক শংকর দাস ও হেলপার হরমুজ আলীকে লাঞ্চিত করে বলে মিনিবাস সমিতির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে জানান। জগন্নাথপুর অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি মকবুল হোসেন ভূইয়া জানান, আমাদের আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে নয়। আমাদের আন্দোলন জগন্নাথপুর মিনিবাস সমিতির বিরুদ্ধে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমাদের সমিতির অটোরিকশা গ্যাস আনার জন্য সুনামগঞ্জ গেলে মিনিবাসের লোকজন আটক করে লাঞ্চিত করে থাকে। এসবের প্রতিবাদে আমরা অবরোধসহ আন্দোলন করেছি। জগন্নাথপুর মিনিবাস শ্রমিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মজিদ জানান, তাদের আন্দোল সরকারের বিরুদ্ধে, আমাদের সাথে নয়। এরপরও তারা অন্যায়ভাবে অবরোধ করে মিনিবাস আটক করা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টার পর তারা গ্যাস আনলেও এখন তারা নিয়ম অমান্য করে যে কোন সময় গ্যাস আনতে যায়। যে কারণে তাদের গাড়ি আটক করা হয়।
জগন্নাথপুর থানার অফিসার এস আই মিজানুর রহমান জানান, দুই সমিতির শ্রমিকদের বিরোধের বিষয়টি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নিস্পত্তি করা হবে।


