বিশ্বনাথে খুঁড়িয়ে চলছে বিএনপির অঙ্গসংগঠন
প্রকাশিত হয়েছে : ০২ নভেম্বর ২০১৫ ইং, ২:৩৯ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৮৯৬ বার পঠিত
মোহাম্মদ আলী শিপন:: আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ ছিল ৩ মাস। কিন্তু ৪ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও স্বেই আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই খুঁড়িয়ে চলছে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা যুবদল-স্বেচ্ছাস্বেবকদল। সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কোনো তোড়জোড় নেই আহ্বায়ক কমিটিতে থাকা নেতাদের। পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় বর্তমানে বিএনপির সহযোগি সংগঠন যুবদল-স্বেচ্ছাস্বেবকদলে একধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। হতাশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছেন নেতাকর্মীরা। বিএনপির ওই দুই সহযোগি সংগঠনের কমিটি ঘোষণা করেন নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী। ইলিয়াস আলী ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন। আজও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফলে উপজেলা যুবদল-স্বেচ্ছাস্বেবকদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি বলে দলীয় নেতারা জানান।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিশ্বনাথ উপজেলা যুবদলের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয় ২০১১ সালের শেষের দিকে। আহমদ নূর উদ্দিনকে আহ্বায়ক এবং সুরমান খানকে প্রথম যুগ্ম-আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়। একই বছরের প্রথম দিকে উপজেলা স্বেচ্ছাস্বেবকদলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কাওছার খানকে আহ্বায়ক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। তবে উভয় কমিটির মেয়াদ ছিল ৩ মাস। এ সময়ের মধ্যেই সম্মেলন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার দায়িত্ব ছিল আহ্বায়ক কমিটির। কিন্তু ৩ মাস্বের স্থলে প্রায় ৪ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরও সম্মেলনের মুখ দেখেননি উপজেলা যুবদল-স্বেচ্ছাস্বেবকদল নেতাকর্মীরা। পূর্ণাঙ্গ কমিটিও তাই ঘোষিত হয়নি।
উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সুরমান খান বলেন,আমাদের প্রিয় নেতা ইলিয়াস আলী নিখোঁজের পর ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল বিশ্বনাথে সহিংসতার ঘটনায় মিথ্যা মামলায় যুবদলের অনেক নেতাকর্মীকে কারাবরণ করতে হয়। ছয়টি ইউনিয়নে যুবদলের সম্মেলন সম্পন্ন করা হলেও বাকি ২টি ইউনিয়নে সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি। তবে ইউপি যুবদলের সম্মেলনে শেষে উপজেলা যুবদলের সম্মেলন করা হবে বলে তিনি জানান।
স্বেচ্ছাস্বেবকদলের আহ্বায়ক কাওছার খান বলেন, অতীতের চেয়ে বর্তমানে উপজেলায় স্বেচ্ছাস্বেবকদল অনেক শক্তিশালী। তবে ইউপি স্বেচ্ছাস্বেবকদলের সম্মেলন শেষে উপজেলা স্বেচ্ছাস্বেবকদলের সম্মেলন করা হবে।


