বালাগঞ্জে ছুরুক খুনের ৭দিনেও গ্রেফতার হয়নি কোনো আসামী
প্রকাশিত হয়েছে : ১০ জানুয়ারি ২০১৬ ইং, ১০:১১ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৬১২ বার পঠিত
শিপন আহমদ,ওসমানীনগর:: সিলেটের বালাগঞ্জে প্রতিপক্ষের ধারালো ছুলফির আঘাতে ছুরুক মিয়া (২৫) হত্যার ঘটনায় ৭দিন অতিবাহিত হলেও গ্রেফতার হয়নি আসামীরা। এ ঘটানায় নিহতের বড় বোন সোনাবালা (৪৫) আহত হয়ে এখনও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। হত্যার ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আজাদ মিয়া বাদি হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে গত ৬ জানুয়ারী বালাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলেও এখন আসামীরা রয়েছে অধরা। মামলা নং-১।
এদিকে ঘটনার পর থেকে থানা পুলিশ কর্তৃক আসামীরা গ্রেফতার না হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে বাদির পরিবার। গতকাল শনিবার নিহত ছুরুক মিয়ার মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় পরিবারে চলছে শোকের মাতম। পুত্র শোকে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন বৃদ্ধ মা সইতুননেছা। প্রতিবেদকের কাছে কান্নাজনিত কন্ঠে হাউ মাউ করে বলেন আমার বুকের ধন হত্যাকারীদের কি বিচার হবে না। আমার বুকের ধনকে মনির সন্ত্রাসীরা কেড়ে নিয়েছে। আমি আমার ছেলেকে আর কোন দিনও দেখতে পাবনা বলে কান্নায় মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে বালাগঞ্জ উপজেলার রশিদপুর গ্রামের ছুরুক মিয়ার বাড়ির জায়গা দখলে নেয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী মনির মিয়া ও তার সহযোগিরা। সম্প্রতি প্রভাবশালী মনির মিয়া ও তার সহযোগিরা নিহত ছুরুক মিয়া ও তার পরিবারকে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। তারা বাড়ি থেকে চলে না যাওয়ায় গত ৫ জানুয়ারী মঙ্গলবার প্রতিদিনের নেয় ছুরুক মিয়া ও তার ভাই আশিক মিয়া ও আজাদ মিয়া স্থানীয় ডালারপাড় হাওয়রে কৃষি কাজের জন্য যাওয়ার পথে নোয়াখাল (পানির দমকল)নামক স্থানে পূবর্ পরিকল্পিত উৎ পেতে থাকা মনির মিয়া, শামিম, মঈনুল, আজহারুল, শফিকুল, ফারুক মিয়া ও ফকর মিয়াসহ তাদের সহযোগিরা ছুরুক মিয়া ও তাঁর ভাইদের গতিরোধ করে হাতে থাকা ছুলফি দিয়ে এলোপাতারী আক্রমন চালায়। ভাইিদের বাঁচাতে ছুরকের বোন সোনাবালা এগিয়ে আসলে তাকেও মেরে গুরুত্বর আহত করে হামলাকারীরা। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আশংকাজনক অবস্থায় ছুরক ও সোনাবালাকে উদ্ধার করে বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছুরুক মিয়াকে মৃত ঘোষনা করেন। বোন সোনাবালা এখনও উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় রয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বালাগঞ্জ থানার এস আই মখলিছুর রহমান বলেন, আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।


