বিশ্বনাথে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণ
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ জানুয়ারি ২০১৬ ইং, ৪:০৯ অপরাহ্ণ | সংবাদটি ৭৪২ বার পঠিত
নিজস্ব সংবাদদাতা:: সিলেটের বিশ্বনাথে সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ’র) জায়গা দখল করে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি স্থায়ী বিল্ডিং নির্মান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের শেখপাড়া ধলিপাড়া গ্রামের মৃত আবদুর রহিমের পুত্র আছকির আলী (৪৮)। কয়েকদিন পূর্বে রামপাশা সেতুর পশ্চিমমুখে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গায় প্রথমে তিনি বাঁশ দিয়ে দোকানের একটি প্রেইম তৈরি করেন। এতে কোনো প্রতিক্রিয়া না আসায় বেশ কয়েকদিন ধরে রাজমিস্ত্রী দিয়ে প্রায় ৩০ফুট লম্বা ও ২০ফুট প্রস্তর করে দালানের তৈরি দোকান ঘরের কাজ শুরু করেছেন। কাজটি অনেকটা এগিয়ে গেলেও প্রশাসনিকভাবে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছেনা। তাই নির্ভয়ে বিল্ডিংয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এতে সড়কের পাশ দিয়ে হালচাষ করতে গরু নিয়ে জনসাধারণের যেমন দূর্ভোগ পোহাতে হবে তেমনি বাজেহাত হবে সরকারি জায়গা।জানাগেছে, রশিদপুরস্থ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক হইতে লামাকাজি পর্যন্ত উপজেলার অংশে সড়ক ও জনপদের প্রায় ১৭কিলোমিটার পাঁকা সড়ক রয়েছে। আর এই সড়কের উভয় পাশে ছিল সওজ’র বড় দুটি খাল। এ দুটি খাল দখলবাজদের খপ্পরে পড়ে প্রায় বিলিন হয়ে গেছে। ওই সড়কের পাশে উপজেলা সদরের বাসিয়া নদীর সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে রামপাশা পর্যন্ত বড় একটি খাল ছিল। সেই খালটি নকিয়াখালি পর্যন্ত প্রায় দখল হয়ে রয়েছে। মাঝে মধ্যে খালের অংশ দেখা গেলেও উপজেলা সদরের বাসিয়া নদী থেকে শুরু করে জানাইয়া এমপি সড়ক নামক স্থান পর্যন্ত খালের কোনো চিহৃই নেই। দখলবাজরা খালটি দখল করে নামমাত্র শুধু একটি ড্রেন রেখে নিজ নিজ স্থাপনার সামন ভরাট করে রেখেছেন।
এছাড়াও রশিদপুর থেকে শুরু করে বিশ্বনাথ পর্যন্ত সড়কের খাল দখল করে নিয়েছেন প্রভাশালী ব্যক্তিরা। যারফলে মাছের আবাসস্থল বিলিন হয়ে গেছে। পাশাপাশি পানির জন্য কৃষকরা জমিতে সেচ দিতে পারছেন না। বন্ধ হয়ে গেছে পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা। এখন নতুন করে আছকির আলী রামপাশা সেতুর মুখে সওজ’র জায়গা দখল করে ওই বিল্ডি নির্মাণ করার জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দখল হওয়া খান উদ্ধার না হলে ভভিষ্যতে চরম ক্ষতির সম্মুখিন হতে হবেন উপজেলার কৃষকসহ সাধারন মানুষ। এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহলের লোকজন।
কৃষক নোয়াব আলী বলেন, উপজেলার প্রতিটি নদ-নদী-খাল ভরাট হওয়ায় প্রভাবশালীরা দখল করে বসে আছেন। ফলে কৃষকদের পুহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।
সজওজ’র জায়গা দখল করে অবৈধভাবে বিল্ডিং নির্মাণের কথা স্বীকার করে আছকির আলী বলেন, সড়কের উভয় পাশে বিভিন্ন স্থানে অনেক ব্যক্তি দখল করে দোকান নির্মাণ করেছেন। পরবর্তিতে সরকার চাইলে ওই দখল ছেড়ে চলে যাব।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রুহুল আমিন বলেন, সরকারি জায়গা কোনো অবৈধ থাকলে আইনি ব্যবস্থা এবং দ্রুত উচ্ছেদের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সুবিধা হবে বলে তিনি জানান।
সজওজ’র জায়গা দখল করে অবৈধভাবে বিল্ডিং নির্মাণের কথা স্বীকার করে আছকির আলী বলেন, সড়কের উভয় পাশে বিভিন্ন স্থানে অনেক ব্যক্তি দখল করে দোকান নির্মাণ করেছেন। পরবর্তিতে সরকার চাইলে ওই দখল ছেড়ে চলে যাব।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রুহুল আমিন বলেন, সরকারি জায়গা কোনো অবৈধ থাকলে আইনি ব্যবস্থা এবং দ্রুত উচ্ছেদের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সুবিধা হবে বলে তিনি জানান।


