বিশ্বনাথে বেড়েছে জ্বর সর্দি কাশি ও ডাইরিয়ার প্রকোপ
প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ এপ্রিল ২০২৪ ইং, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ | সংবাদটি ১৩৮ বার পঠিত
জামাল মিয়া,বিশ্বনাথ
সারা দেশের ন্যায় তাপমাত্রা বাড়ায় সিলেটের বিশ্বনাথে তাপদাহ আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়ার কারনে, ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর সর্দি ডায়রিয়া ও কাশির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশ্বনাথের চারদিকে জ্বরের এতো বেশি প্রকোপ বাড়লেও অনেকেই মনে করছেন কিছুটা গরম ও সামান্য ঠান্ডা লাগা কিংবা পানিতে ভেজার কারণেই হচ্ছে জ্বর।কিন্তু স্বাস্থ্য সংশিষ্টরা বলছেন, গরম বা টান্ডার অজুহাত না দেখিয়ে এখনই জ্বর নিয়ে মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বিশ্বনাথের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় প্রতিটি বাড়িতে জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে পরিবারের অনেকেই। এর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যা বেশি। আশঙ্কাজনক হারে জ্বরের রোগী বেড়ে যাওয়ায় জনসাধারণের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিদিন অনেকে ডাক্তারের কাছে ভিড় করছেন অনেকে নিজের মতো করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিশ্বনাথ উপজেলার ওষুধের দোকানদারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিনে সর্দি, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও গলা ব্যথার ওষুধ বিক্রি হয়েছে স্বাভাবিকের চাইতে কয়েক গুন বেশি। এসব রোগের ওষুধ সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। বিশ্বনাথ বাজারের ফার্মেসিগুলোতে ঘুরে জানাযায়, গেল এক সপ্তাহে থেকে প্রচুর পরিমাণে প্যারাসিটামল বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় জ্বরের তীব্র প্রকোপ। তাদের মতে জ্বর একটি স্বাভাবিক অসুখ। ফার্মেসি থেকে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ কিংবা এন্টিবায়োটিক সেবন করছেন তারা। বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সের চিকিৎসক ডাঃ সুনির্মল বিশ্বাস বলেন, বর্তমানে প্রতিদিনই জ্বর নিয়ে অনেকে হাসপাতালের আউটডোরে আসছেন। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি ও হচ্ছেন। তিনি পানি লেবুর সরবত তরল জাতীয় খাবার খাওয়ার জন্য তিনি বলেন। বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা ডাঃ দেলোয়ার হোসেন সুমন বলেন, হাসপাতালে অনেক জ্বর, ডাইরিয়া, ভমি ইত্যাদি রোগী আমরা পাচ্ছি। এমনকি হিটস্ট্রোকের মতন অবস্থা এরকম রুগিও হাসপাতালে ভর্তি আছে। এটি ভাইরাল জ্বর হতে পারে। আবহাওয়া পরিবর্তন ও গরম বাড়ার কারন। তিনি বলেন রসালো ফল পানি লেবুর সরবত খাওয়া এবং রোদে বাহিরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন। টান্ডা না লাগানো ফ্রিজের পানি না খাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।


